
দিল্লিতে সুকান্ত মজুমদার
শেষ আপডেট: 8 February 2025 16:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি দখলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সাহায্য করার জন্য বাংলার সাংসদ, কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রশংসা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। শনিবার দীর্ঘ ২৭ বছর পর রাজধানী শহরে আম আদমি পার্টিকে গোহারা হারিয়ে জয়জয়কার হয়েছে পদ্ম শিবিরের। সেই জয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত তিনি।
শনিবার দুপুরে বিজেপির দিকে পাল্লা ভারি হতেই দিল্লির বাসভবনে সেখানে বসবাসকারী বাঙালি সমাজকে নিয়ে আনন্দ উল্লাসে মাতেন সুকান্ত। পরিষ্কার জানান, “২৭ বছরের বেশি সময় ধরে বিজেপি দিল্লিতে ক্ষমতায় নেই। মানুষ বিরোধীদের ‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে কান না দিয়ে দুর্নীতিমুক্ত দিল্লি গড়ার লক্ষ্যে রায় দিয়েছেন।”
এরপরই আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও দিল্লির বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী আতিশী মারলেনাকে আক্রমণ করে সুকান্ত বলেন, “আমি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলাম যে, অরবিন্দ কেজরিয়াল ও আতিশী হারবে। কেজরিওয়াল হেরে গেলেও অল্পের জন্য বেঁচেছেন তিনি। আমরা জানি কীসের জোরে উনি জিতেছেন। এই মুহূর্তে আমরা সেটা বলতে চাইছি না।”
এরপরই বিজেপির দিল্লি জয়ের জন্য বাঙালিদের কৃতিত্বের কথা বলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি মনে করিয়ে দেন দিল্লির বাঙালি সমাজ এক হয়ে আম আদমি পার্টিকে গদিছাড়া করেছেন। পাশাপাশি জয়ের জন্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোর প্রশংসা করেছেন তিনি।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন মনে করিয়ে দেন, তৃণমূলের পতনের দিন আসন্ন। দিল্লিতে বসবাসকারী বাঙালিরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করে নরেন্দ্র মোদীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, এবার লক্ষ্য বাংলা। আগামী ২০২৬-এর নির্বাচনে তৃণমূলের হার শুধু সময়ের অপেক্ষা। মুখে যতই বিশ্ব বাংলা বলা হোক, বাংলা আসলে নিঃস্ব বাংলা। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় আমরা শীঘ্রই গেরুয়া পতাকা তুলব।
তবে আম আদমি পার্টির এমন করুণ হাল দেখে সুকান্তর আশঙ্কা, “আমার মনে হচ্ছে না আম আদমি পার্টি আর বেশিদিন থাকবে। দিল্লির মতো পাঞ্জাবেও আপ ভেঙ্গে যাবে। বুদবুদের মতো উত্থান হয়েছিল। ধীরে ধীরে কেজরিওয়ালের দলের সমাপ্তি ঘটতে চলেছে।
তবে সুকান্তর বক্তব্যে এদিন পরিষ্কার বাংলায় তৃণমূলকে পরাস্ত করতে না পেরে দিল্লির জয় তাঁদের কাছে ভোকাল টনিকের মতো কাজ করেছে। যা আগামী ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জন্য ক্ষতিকর।