Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

মধ্যপ্রদেশের দুই স্কুলের 'রঙ' দুর্নীতি প্রকাশ্যে! ভুয়ো রসিদ দিয়ে সরকারি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ

একইভাবে নিপানিয়া হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার রসিদ জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে ২৭৫ জন শ্রমিক ও ১৫০ জন মিস্ত্রি কাজ করেছেন ২০ লিটার রঙ দিয়ে। ১০টি জানলা ও ৪টি দরজা লাগানো হয়েছে। 

মধ্যপ্রদেশের দুই স্কুলের 'রঙ' দুর্নীতি প্রকাশ্যে! ভুয়ো রসিদ দিয়ে সরকারি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ

মধ্যপ্রদেশের দু'টি স্কুলে দুর্নীতি

শেষ আপডেট: 6 July 2025 11:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরকারি স্কুলের রক্ষণাবেক্ষণ, রঙ, মেরামতির নামে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে শোরগোল পড়েছে মধ্যপ্রদেশের শাহডোল জেলায় (Two government schools in Madhya Pradesh)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হওয়া কয়েকটি রসিদ ঘিরে সামনে এসেছে বিস্ময়কর তথ্য। কাঠগড়ায় দু'টি স্কুলের কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, সাকান্দি হাই স্কুলে ১ লক্ষ ৬ হাজার টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। অথচ রেকর্ডে লেখা রয়েছে, এই কাজে নিয়োগ করা হয়েছিল ১৬৮ জন শ্রমিক ও ৬৫ জন রাজমিস্ত্রি। মাত্র ৪ লিটার অয়েল পেইন্ট (Oil Paint) ব্যবহার করা হয়েছিল। হিসেবের এই গরমিল ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

একইভাবে নিপানিয়া হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার রসিদ জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে ২৭৫ জন শ্রমিক ও ১৫০ জন মিস্ত্রি কাজ করেছেন ২০ লিটার রঙ দিয়ে। ১০টি জানলা ও ৪টি দরজা লাগানো হয়েছে। বাস্তবে যদিও দেখা গিয়েছে, কাজের পরিমাণ এবং গুণমান, দুটোই অত্যন্ত নিম্নমানের এবং অধিকাংশ অংশে কাজ শুরুই হয়নি।

এই তথ্য সামনে আসতেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ (Public Outrage) ছড়িয়ে পড়েছে। স্কুলগুলির পরিদর্শনে যান বেওহারি এসডিএম নরেন্দ্র সিং ধুরভে। তিনিও স্বীকার করেছেন, কাজের মান অত্যন্ত খারাপ এবং তদন্তের জন্য সমস্ত নথিপত্র তলব করা হয়েছে। এসবের পাশাপাশি  আরও একটি অদ্ভুত অসঙ্গতি নজরে এসেছে। নিপানিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক ৪ এপ্রিল রসিদ স্বাক্ষর করলেও নির্মাণকারী সংস্থা 'সুধাকর কনস্ট্রাকশন' সেটি জমা দেয় ৫ মে। এক মাসের তারিখের এই পার্থক্য জালিয়াতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

প্রশ্ন উঠছে, এত বড় অস্বচ্ছতা কীভাবে নজর এড়িয়ে গেল, আর কোনও স্তরে কি এর সঙ্গে যুক্ত আরও কেউ রয়েছেন? জেলা শিক্ষা আধিকারিক ফুল সিং মারপাচিও বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং কড়া তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।


```