
শেষ আপডেট: 28 November 2023 10:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীরের একটি প্রাণী সম্পদ বিকাশ শিক্ষা কেন্দ্রের সাত ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই আইন সাধারণত জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। ধৃত ছাত্রদের বিরুদ্ধে কোনও জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে নেই। তা সত্বেও কঠোর আইনে মামলা করা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই আইনে মামলা বলে জামিন দেয় না নিম্ন আদালত।
ছাত্র গ্রেফতার ঘিরে আরও একটি বিষয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিশ্বকাপের ফাইনালের দিন পুলিশ ওই ছাত্রদের থানায় ডেকে গ্রেফতার করলেও বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল। পুলিশের রেগুলার ব্রিফিংয়ে গ্রেফতারির ঘটনাটি উল্লেখ করা হয়নি। সোমবার রাতে গ্রেফতারির ঘটনাটি জানাজানি হয়।
কাশ্মীরের গান্দেরবালের ওই প্রাণী সম্পদ বিকাশ শিক্ষাকেন্দ্রটি শের-ই-কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি শাখা। ছাত্র গ্রেফতার নিয়ে ক্যাম্পাসে বহু পড়ুয়া প্রতিবাদ করছে।
ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচের দিন। পাঞ্জাবের কিছু ছাত্র পুলিশের কাছে অভিযোগ করে তারা ভারতের সমর্থনে সরব হলে কাশ্মীরি ছাত্রদের একাংশ আপত্তি তোলে। তাঁরা পাকিস্তানের সমর্থনে আওয়াজ তোলার দাবি তোলে। যদিও পাকিস্তান ফাইনালে ছিল না। অভিযোগ, কাশ্মীরের পড়ুয়ারা দাবি করে, ক্যাম্পাসে শুধু পাকিস্তানের পক্ষেই কথা বলা যাবে।
অভিযুক্ত ছাত্রদের একজন চতুর্থ বর্ষের পড়ুয়া। সামনেই পরীক্ষা। এই অবস্থায় কঠোর ইউএপিএ ধারায় মামলা হওয়ায় তাঁর ভবিষৎ নিয়ে চিন্তা বেশি।
ছাত্রদের একাংশ কর্তৃপক্ষের কাছে আর্জি জানিয়েছে, ধৃত পড়ুয়াদের উপর থেকে কঠোর ধারা প্রত্যাহার করা হোক। গান্দেরবালের পুলিশ সুপার নিখিল বোরকার জানিয়েছেন, অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশের বক্তব্য, অভিযুক্ত ছাত্রদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের বিরোধিতার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।