Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’

প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা গুরুতর অপরাধে গ্রেফতার হলে সরানোর বিল আনছেন অমিত শাহ

অমিত শাহ লোকসভায় তিনটি বিল পেশ করছেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের গুরুতর অপরাধে ৩০ দিন হেফাজতে থাকলে পদ থেকে অপসারণের বিধান আনা হচ্ছে।
 

প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা গুরুতর অপরাধে গ্রেফতার হলে সরানোর বিল আনছেন অমিত শাহ

অমিত শাহ (ফাইল চিত্র)

তিয়াষ মুখোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 20 August 2025 16:01

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) সংসদে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করতে চলেছেন। আজ, বুধবার তিনি লোকসভায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ (Parliament, constitution amendment) করবেন, যার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যদি গুরুতর অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে ধারাবাহিকভাবে ৩০ দিন হেফাজতে থাকতে হয়, তবে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করা হবে।

অমিত শাহ মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) লোকসভার সচিবালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়ে জানান, চলতি অধিবেশনে তিনটি বিল পাস করার জন্য উপস্থাপন করা হবে। সংবিধান (১৩০তম সংশোধনী) বিল,২০২৫, জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন (সংশোধনী) বিল,২০২৫ এবংকেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সরকার (সংশোধনী) বিল ২০২৫।

বিল অনুযায়ী, যদি প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রীরা পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডযোগ্য কোনও অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে ৩০ দিন টানা হেফাজতে থাকেন, তবে ৩১তম দিনে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে, গভর্নর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীকে পদচ্যুত করার ক্ষমতা রাখবেন।

তবে বিলের আর একটি ধারা বলছে, মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় তাঁদের মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।

অমিত শাহের প্রস্তাবিত এই বিলের উদ্দেশ্য ও কারণের বিবৃতি লোকসভার সদস্যদের দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি তাঁদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। তাই তাঁদের চরিত্র ও আচরণ যেন সন্দেহাতীত হয়, সেটাই প্রত্যাশিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত কোনও মন্ত্রী হেফাজতে থাকলে তা সংবিধানিক নীতি, সুশাসন এবং জনআস্থার পরিপন্থী। অথচ সংবিধানে বর্তমানে এমন কোনও বিধান নেই, যাতে এই পরিস্থিতিতে তাঁদের অপসারণ সম্ভব হয়।

এই কারণেই সংবিধানের ৭৫, ১৬৪ ও ২৩৯এএ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব আনা হয়েছে, যাতে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রী, এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের গুরুতর অপরাধের কারণে গ্রেফতার হলে তাঁদের সরানোর আইনি কাঠামো তৈরি হয়।

অন্য দুটি বিলের মাধ্যমে পুদুচেরি ও জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের অপসারণ প্রক্রিয়াও নির্ধারণ করা হয়েছে।

অমিত শাহের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক দিক থেকে বড় পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, এ পর্যন্ত দেশে এমন কোনও আইন ছিল না যেখানে গ্রেফতার হওয়া কোনও মন্ত্রীর পদচ্যুতির স্পষ্ট প্রক্রিয়া উল্লেখ ছিল।


```