রাষ্ট্রপতিকে এই নান্দনিক আকাশ সফর করান স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিং।

অপারেশন সিঁদুরে বিমান বাহিনীর গোল্ডেন অ্যারো স্কোয়াড্রনের সদস্য শিবাঙ্গী রাফাল চালিয়েছিলেন।
শেষ আপডেট: 29 October 2025 19:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বুধবার প্রায় আধঘণ্টা রাফাল যুদ্ধবিমানে ঘুরলেন। রাষ্ট্রপতিকে এই নান্দনিক আকাশ সফর করান স্কোয়াড্রন লিডার শিবাঙ্গী সিং। আম্বালা বিমানঘাঁটিতে দুজনের একসঙ্গে ছবি প্রকাশ হওয়া মাত্রই ফের একবার পাকিস্তানের মিথ্যাচারের সত্যতা ফাঁস হয়ে গেল। পাকিস্তানের দাবি ছিল, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন রাফাল পাইলট শিবাঙ্গীকে গুলি করে নামানো হয়েছিল এবং অভিনন্দন বর্তমানের মতো তিনি পাক বাহিনীর হেফাজতে রেখেছিল।
এ বছরের মে মাসে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানে অবস্থিত জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংসের অপারেশন সিঁদুরে বিমান বাহিনীর গোল্ডেন অ্যারো স্কোয়াড্রনের সদস্য শিবাঙ্গী রাফাল চালিয়েছিলেন। সেই সময় রাফাল ধ্বংসের দাবি জানিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার দাবি জানায় ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষ। যদিও ভারত তখন থেকেই এই পাক দাবিকে নস্যাৎ করে এসেছে।
২৯ বছর বয়সি বারাণসীর মেয়ে বিমান বাহিনীর এই অফিসার বিমান বাহিনীতে যোগ দেন ২০১৭ সালে। ফাইটার পাইলট হিসেবে বিমান বাহিনীতে দ্বিতীয় ব্যাচে নিয়োগ পেয়েছিলেন শিবাঙ্গী। ২০২০ সালে তিনি রাফাল ওড়ানোর ছাড়পত্র পান। এর আগে তিনি মিগ-২১ বাইসন সিরিজের বিমান উড়িয়েছেন। পৃথিবীর বয়স্কতম ফাইটার জেট থেকে অতি আধুনিক বিমান ওড়ানোর সক্ষমতা অর্জনের মধ্য দিয়ে নজর কেড়েছিলেন তিনি।
অক্টোবরের ৯ তারিখে তিনি কোয়ালিফায়েড ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টর ব্যাজ অর্জন করেন। প্রকৃতপক্ষে তাঁর নাম বিখ্যাত হয়ে ওঠে অপারেশন সিঁদুরের সময়। পাকিস্তানের দাবি ছিল, তারা ভারতের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে এবং গুলি করে নামিয়েছে। সিয়ালকোটের কাছে ভেঙে পড়া রাফাল থেকে তিনি ঝাঁপ দেওয়ায় তাঁকে হেফাজতে নিয়েছে পাক বাহিনী। সেটা যে কত বড় মিথ্যা ছিল, এদিন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে তাঁর ছবিতেই তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে।
এদিন রাফাল বিমানে চড়ার অভিজ্ঞতায় রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, ভোলার মতো নয়। হরিয়ানার আম্বালা বিমানঘাঁটিতে দ্রৌপদী মুর্মুর পাশেই আরেকটি বিমানে ঘোরেন বাহিনীর প্রধান এপি সিং। ২০২৩ সালে সুখোই-৩০এমকেআইয়ে চড়ার পর এদিন রাফালে চড়ে দ্রৌপদী মুর্মু হলেন প্রথম ভারতীয় রাষ্ট্রপতি যিনি দুটি যুদ্ধবিমানে চড়ার স্বাদ নিলেন।