Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

পার্বত্য চট্টগ্রামে জঙ্গি দমন অভিযানের প্রস্তুতি বাংলাদেশে, হিংসার শঙ্কা মণিপুর, মিজোরামে

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দারবন এলাকায় জঙ্গি দমন অভিযান শুরু করতে চলেছে বাংলাদেশ সেনা এবং পুলিশ ও আধা সেনার আনসারের যৌথবাহিনী।

পার্বত্য চট্টগ্রামে জঙ্গি দমন অভিযানের প্রস্তুতি বাংলাদেশে, হিংসার শঙ্কা মণিপুর, মিজোরামে

শেষ আপডেট: 8 April 2024 12:37

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দারবন এলাকায় জঙ্গি দমন অভিযান শুরু করতে চলেছে বাংলাদেশ সেনা এবং পুলিশ ও আধা সেনার আনসারের যৌথবাহিনী। কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট নামে একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে রবিবার থেকে প্রাথমিক অভিযান শুরু হয়েছে। সরকারের সঙ্গে হওয়া শান্তি চুক্তি অগ্রাহ্য করে ওই সংগঠনটি হালে লুঠতরাজ শুরু করে। সম্প্রতি দুটি ব্যাঙ্ক ডাকাতি এবং পর্যটকদের উপর হামলার ঘটনার পর সেনার নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীকে অপারেশনে নামাতে চলেছে বাংলাদেশ সরকার। তিন বাহিনী এখন অভিযানের রশদ মজুত করা শুরু করেছে।

এদিকে, পড়শি দেশের জঙ্গি দমন অভিযানকে ঘিরে ভারতের মিজোরাম ও মণিপুর অশান্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছে ওয়াকিবহালমহল। আসলে কুকি-চিন-মিজো-বম—এই চারটি জনগোষ্ঠী বৃহত্তম জো জনগোষ্ঠীর অংশ। মনিপুরে যারা কুকি, তারাই মিজোরামে জো, মায়ানমারে চিন এবং বাংলাদেশে বম জনজাতি হিসাবে পরিচিত। এই জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে আবার ছোট-বড় মিলিয়ে ১৪টি উপ-জনগোষ্ঠী আছে। এই জনগোষ্ঠীর সিংহভাগ খ্রিস্টান। মায়ানমার থেকে বিতাড়িত চিন এবং মণিপুর থেকে পালিয়ে যাওয়া কুকিদের একাংশ লাগোয়া পাবত্য চট্টগ্রামে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছে বলে বাংলাদেশ সরকারের অভিযোগ। আবার বাংলাদেশে অভিযান হলে তারা ভারতে আশ্রয় নিয়ে থাকে। তাৎপর্যপূর্ণ হল, মণিপুরের বিজেপি সরকার না চাইলেও মিজোরাম সরকার জো জনগোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষায় মায়ানমার ও বাংলাদেশের উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দিয়ে থাকে। ভারত সরকারের পরামর্শও কানে তোলে না রাজ্য সরকার। 

বান্দারবন হল বাংলাদেশের আকর্ষণীয় পার্বত্য পর্যটনস্থল। প্রতিদিন দেশি-বিদেশি মিলিয়ে কয়েক হাজার পর্যটক সেখানে বেড়াতে যান। পর্যটনই সেখানকার একমাত্র অর্থনীতি। গত চার-পাঁচদিন হল এলাকা কার্যত পর্যটন শূন্য। কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের সেনা শাখা সেখানে নিয়ন্ত্রণ কায়েম করার চেষ্টা শুরু করেছে। অস্ত্রকেনা এবং অন্যান্য খরচ সামাল দিতে তারা ব্যাঙ্ক ডাকাতি শুরু করে। 

অভিযান শুরুর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সেনা বাহিনীর প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দীন আহমেদ রবিবার বান্দারবন পরিদর্শন করেন। দু’জন প্রথমসারির কেএনএফ নেতাকে যৌথবাহিনী ইতিমধ্য নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। সেনা প্রধান বলেন, কেএনএফকে মূল স্রোতে ফিরতে নানাভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয় চার্চের মাধ্যমে তাদের প্রতি সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়া হয়। কিন্তু সরকারের শান্তি প্রচেষ্টাকে ভেস্তে দিয়ে হিংসাত্মক কাজে জড়াচ্ছে। 

এদিকে, মণিপুরে কুকি ও মৈতেইদের মধ্যে রক্তারক্তি সংঘর্ষ বন্ধ হলে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে মানসিক দূরত্ব বিন্দুমাত্র ঘোঁচেনি। বাংলাদেশে কুকিদের বিরুদ্ধে অভিযান নিয়ে মৈতেইদের একাংশ ওই জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে। তাদের বক্তব্য, কুকিরা সর্বত্র অশান্তি করে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশে কুকি-চিন-বম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হলে মণিপুর, মিজোরামে তার প্রভাব পড়তে পারে।


```