বিহার বিধানসভা ভোটে ইন্ডিয়া বনাম এনডিএ-র অ্যাসিড টেস্টের পরেই এসআইআর ধুঁয়ো ধুলোয় উড়িয়ে দিতে বিজেপি ফের বাজারে আনছে রাম-ম্যাজিক।

রামমন্দিরের জাদুকাঠি দেশবাসীর মাথায় বুলিয়ে দিতে আসরে ঝাঁপাতে চলেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি।
শেষ আপডেট: 29 October 2025 14:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিহার বিধানসভা ভোটে ইন্ডিয়া বনাম এনডিএ-র অ্যাসিড টেস্টের পরেই এসআইআর ধুঁয়ো ধুলোয় উড়িয়ে দিতে বিজেপি ফের বাজারে আনছে রাম-ম্যাজিক। বিহারের ফল যাই হোক না কেন, আগামী বছর বিজেপির শিরে সংক্রান্তি ডেকে আনতে ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু ও কেরলে। যে তিনটি রাজ্যেই গেরুয়া আগ্রাসন এখনও কাজে আসেনি। তাই আবার রামমন্দিরের জাদুকাঠি দেশবাসীর মাথায় বুলিয়ে দিতে আসরে ঝাঁপাতে চলেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি।
আনুষ্ঠানিকভাবে রামমন্দিরের সম্পূর্ণ নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়েছে, বিশাল শ্রীরাম মন্দিরের নির্মাণকাজ শেষ। মূল মন্দির ছাড়াও গোটা চত্বরে একই পাঁচিলের ভিতরে রয়েছে শিব, গণেশ, হনুমান, সূর্য, ভগবতী ও অন্নপূর্ণা মন্দির। সব মন্দিরের শীর্ষেই কলস ও ধ্বজাদণ্ড স্থাপন করা হয়ে গিয়েছে। এখন জোর কদমে রামলালার ভক্তিতে বুঁদ করে দিতে আয়োজন চলছে ধ্বজা উত্তোলন কর্মযজ্ঞের। যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়েছে, এই অনুষ্ঠানে ৮-১০ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন। রামমন্দির নির্মাণ প্রসঙ্গে ট্রাস্ট আরও জানিয়েছে, দেশ ও বিদেশ থেকে রাললালার অর্ঘ্য হিসেবে ৩,০০০ কোটি টাকা আয় হয়েছে। মন্দির নির্মাণ কমিটির সভাপতি জানান, এখনও পর্যন্ত তার মধ্যে খরচ হয়েছে আনুমানিক ১,৫০০ কোটি টাকা এবং বাকি যা কাজ আছে তা শেষ করতে সর্বমোট খরচ হতে পারে ১,৮০০ কোটি টাকা।
২৫ নভেম্বর রামমন্দিরে বিশাল ধ্বজ স্থাপন করা হবে। যা তৈরি করা হয়েছে প্যারাশুট কাপড় দিয়ে। ২০৫ ফুট উঁচুতে উড়বে এই ধ্বজা বা পতাকা। পতাকাটি ২২ ফুট দীর্ঘ ও চওড়ায় ১১ ফুট। ওজন ১১ কেজি। একটি মোটা নাইলনের দড়ি দিয়ে টাঙানো হবে ধ্বজ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এই পতাকা উত্তোলন করতে সাহায্য করবেন সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। ভারতীয় সেনার জওয়ানরা সেই কাজের মহড়া শুরু করে দিয়েছেন সোমবার থেকে।
মাটি থেকে রামমন্দিরের উচ্চতা ১৬১ ফুট। তার উপরে রয়েছে ৪৪ ফুটের একটি পতাকা দণ্ড। পতাকা দণ্ডটি একটি চাকার উপর স্থাপন করা হয়েছে, যাতে বাতাসের দিক পরিবর্তনের সঙ্গে এটি ঘুরে যেতে পারে। ২৫ নভেম্বর দিনটি হল বিবাহ পঞ্চমী। রামায়ণ অনুসারে এই দিনেই রামচন্দ্রের বিয়ে হয়েছিল। সেই হিসেবে দিনটির তাৎপর্যও মন্দির কমিটির কাছে বিরাট।