Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

মোদী অজেয় নন, জনতার চ্যালেঞ্জের মুখে বিজেপি, ৩০০-র বেশি আসন পাবে না, দাবি পিকের

ব্র্যান্ড মোদীর শক্তিক্ষয় হচ্ছে, বললেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর

মোদী অজেয় নন, জনতার চ্যালেঞ্জের মুখে বিজেপি, ৩০০-র বেশি আসন পাবে না, দাবি পিকের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রশান্ত কিশোর।

শেষ আপডেট: 18 May 2024 18:22

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মোদী অজেয় নন। দেশের জনতাই এই নির্বাচনে তা দেখতে পাচ্ছে। কেউ তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানানোর অবস্থায় নেই। কোনও রাজনৈতিক দল কিংবা নেতা মোদীকে চ্যালেঞ্জ জানাক বা না জানাক, মানুষ তাঁকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। দেশের 'ভোট রাজনীতির আইনস্টাইন' প্রশান্ত কিশোর এক সাক্ষাৎকারে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তাঁর আরও দাবি, এই ভোটে বিজেপি মেরেকেটে ৩০০ আসন পেতে পারে।

তাঁর মতে, কোনও দল বা নেতা বিজেপির ব্র্যান্ড মোদীর সামনে চ্যালেঞ্জ ঠুকে দাঁড়াতে পারেনি। কিন্তু, দেশের জনতা তাঁর সামনে সেই প্রতিরোধের দেওয়াল তুলে দাঁড়াতে পারে। ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর ওই সাক্ষাৎকারে বিজেপি এবং মোদীর এবার ৪০০ পার স্লোগানের বিষয়ে বলেন, সেটা সম্ভবত হবে না। তাঁর সেই দাবির সপক্ষে বলতে গিয়ে এই কথা বলেন প্রশান্ত।

অন্ধ্রপ্রদেশের আরটিভিকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে পিকে আরও বলেন, বিরোধী দলগুলি দুর্বল হতে পারে। কিন্তু, সরকার বিরোধী হাওয়া মোটেই দুর্বল নয়। যে দেশের ৬০ কোটি মানুষ দিনে ১০০ টাকাও রোজগার করেন না, সেখানে সরকার বিরোধী জনমত কখনও লঘু হতে পারে না। এই ভুল যেন কেউ না করেন, বলেন প্রশান্ত কিশোর।

কিশোরের দাবি, ভারতে কেউ ৫০ শতাংশ ভোট পায়নি। সহজভাবে বলা যায়, ভোট দেওয়া ১০০ জনের মধ্যে ৪০ জন মোদীকে সমর্থন করেন। তাঁর আদর্শ, কাজ, হিন্দুত্ব, রামমন্দির, ৩৭০ ধারা বিলোপের সমর্থক তাঁরা। ফলে দেখা যাচ্ছে, মাত্র ৪০ জন মানুষ খুশি মোদীতে। কিন্তু, পরে থাকা ৬০ জন কিন্তু অসুখী। এটা যেন মাথায় থাকে!

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং বিজেপির সামনে বিরাট চ্যালেঞ্জ হল গ্রামীণ এলাকার মানুষের মধ্যে গভীর অসন্তোষ। তাঁরাই ভোটারদের বিরাট অংশ যাঁরা বঞ্চিত। তার পরেও যদি বিজেপি জিতে যায়, তাহলে বুঝতে হবে বিরোধী দলগুলি শক্তিহীন কিংবা মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ। বিজেপি জিতলেও মনে করার কোনও কারণ নেই যে, দেশের প্রতিটি মানুষ মোদী সরকারের উপর খুশি, বলেন কিশোর।

ভোট বিশেষজ্ঞ প্রত্যয়ের সঙ্গে বলেন, ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে মোদীর যে ভাবমূর্তি বা ব্র্যান্ড অক্ষত ছিল, ২০২৪ সালে তার অনেকটাই ক্ষয়ে গিয়েছে। এ বছর তাঁকে ছাড়া ভোট দেওয়ার আর কে আছে...কিন্তু ব্যান্ড মোদীর ক্ষমতা কমে এসেছে। প্রশান্ত যুক্তি দেখিয়ে বলেন, ২০১৪ সালে বিজেপি কর্মীদের ভিতরে একটা জোশ কাজ করেছিল। ২০১৯ সালে দেশের মানুষ ভেবেছিল এদের আরও পাঁচটা বছর কাজ করার সুযোগ দেওয়া যায়। অনেকেই ২০১৪ সালে ভেবেছিলেন মোদী ক্ষমতায় এলে দেশে পরিবর্তন আসবে।

কিশোরের ভাষায়, এবছর মানুষ ভাবছে, অব কেয়া করে, কোই দুসরা হ্যায় নেহি তো ইনহি কো দেনা পড়েগা। ফলে মানুষের মনেই নেতিবাচক পরিবর্তন এসে গিয়েছে। মানুষের মধ্যেও সেই উৎসাহ আর নেই, তা বোঝা যাচ্ছে কম ভোটদানের হারে।

প্রশান্ত কিশোরের আরও মত, রামমন্দিরের নামে বিজেপি একটিও বেশি ভোট পাবে না। তাঁর ভাষায়, বিজেপির কাছে রামমন্দির বিরাট ইস্যু। কিন্তু, সাধারণ মানুষের কাছে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। তাঁর দাবি, বাংলা, ওড়িশা, তেলঙ্গানা, তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশে বিজেপি লাভবান হবে।


```