ধস ও হড়পা বানে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হিমাচলের টাংলিং এলাকা। টানা বর্ষণের জেরে যে পাহাড়ি পথ ধরে কিন্নৌর-কৈলাশের দিকে যাত্রা করেন তীর্থযাত্রীরা, তা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 6 August 2025 14:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রবল বৃষ্টির জেরে হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) কিন্নৌর-কৈলাশ (Kinnar Kailash) যাত্রাপথে ধস নেমে (Landslide) বিপদে পড়েন শত শত তীর্থযাত্রী। সেই সময় ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে অন্তত ৪১৩ জন তীর্থযাত্রীকে উদ্ধার করল ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ (ITBP)। এই উদ্ধারকাজে বিশেষ দড়িভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যা সাধারণত হিমালয়ের দুর্গম উচ্চভূমিতে প্রয়োগ করা হয়।
ধস ও হড়পা বানে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হিমাচলের টাংলিং এলাকা। টানা বর্ষণের জেরে যে পাহাড়ি পথ ধরে কিন্নৌর-কৈলাশের দিকে যাত্রা করেন তীর্থযাত্রীরা, তা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বুধবার সকালে কিন্নৌর জেলা প্রশাসনের তরফে বিপদের বার্তা পাওয়ার পরই ITBP এবং NDRF-এর উদ্ধারকারী দল পৌঁছয় সেখানে।
Responding to a requisition from DC Kinnaur, #ITBP has deployed a rescue team under AC/GD Sameer with mountaineering & RRC equipment after two makeshift bridges on the Kinner Kailash Yatra route were washed away due to incessant rains, leaving several yatris stranded.#Himveers pic.twitter.com/rjatUQeTEV
— ITBP (@ITBP_official) August 6, 2025
এদিকে, পার্শ্ববর্তী উত্তরাখণ্ডের ধারালি এলাকাতেও হঠাৎ বন্যায় অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে, বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ।
গত সোমবার থেকে হিমাচল প্রদেশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। ইতিমধ্যেই ৪৪৯টি রাস্তা ধসের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৯৫টি রাস্তা বন্ধ রয়েছে মাণ্ডি জেলায়। ধসে বন্ধ হয়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ চণ্ডীগড়-শিমলা জাতীয় সড়কও।
হিমাচল আবহাওয়া দফতরের তরফে চার জেলায় - উনা, কাংড়া, মাণ্ডি ও সিরমৌরে জারি হয়েছে ‘কমলা’ সতর্কতা। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্র জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৫৫টি হড়পা বান ও ৪৮টি বড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ১ হাজার ৭৩৮টি বাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে সেগুলি।
বৃষ্টি থামার কোনও ইঙ্গিত নেই এখনই। ফলে পরবর্তী কয়েক দিনেও বিপদের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে পাহাড়ি রাজ্যগুলিতে।