
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 19 December 2024 14:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার সংসদে পেশ হয়েছে ‘এক দেশ এক ভোট’ বিল। ইতিমধ্যে বিরোধীদের প্রাথমিক বাধা টপকে ভোটাভুটিতে জয়ী হয়েছে সরকার পক্ষ। তবে এই বিলকে ঘিরে মঙ্গলবার দলের সমস্ত সাংসদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ জারির পরও বিজেপির ২০ জন সাংসদ অনুপস্থিত ছিলেন।
এবার ওই ২০ সাংসদকে শোকজ করল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, ওই তালিকায় রয়েছেন বাংলার ৪ জন সাংসদও। বাংলার জগন্নাথ সরকার, শান্তনু ঠাকুর, জয়ন্ত রায়দের পাশাপাশি গরহাজিরের তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রী নিতিন গডকরি, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, গিরিরাজ সিংরা। দলের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেদিন তাঁরা কেন সংসদের ভোটাভুটিতে হাজির ছিলেন না, সেই কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।
তবে এ ব্যাপারে বাংলার সাংসদদের কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। শান্তনু ঠাকুর, জগন্নাথ সরকারদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল বেজে গিয়েছে। ফলে মেলেনি প্রতিক্রিয়া।
বস্তুত, বিজেপির তরফে প্রথম থেকেই দাবি করা হচ্ছে, এক দেশ এক ভোট ব্যবস্থা, এক ঐতিহাসিক ব্যবস্থা, যা নরেন্দ্র মোদীর সরকারের হাত দিয়ে চালু হতে যাচ্ছে। সেই কারণে মঙ্গলবার সব সাংসদকে লোকসভায় হাজির থাকতে তিন লাইনের হুইপ জারি করা হয়েছিল। তবে পদ্ম শিবিরেরই ২০ জন সাংসদ-মন্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় এ নিয়ে তীব্র কটাক্ষ উড়ে আসছে বিরোধী শিবির থেকে।
কংগ্রেসে সাংসদ শশী তারুর বলেন, বিলটি পাশ করাতে দুই তৃতীয়াংশ সাংসদের সমর্থন দরকার হবে। লোকসভা, রাজ্যসভাও কোথাও শাসক শিবিরের সেই সংখ্যা নেই। তার উপর বিল পেশের দিন হুইপ থাকা সত্ত্বেও বহু এমপি আসেননি।
সূত্রের খবর, এতজন সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডারা। এখন দেখার অনুপস্থিতির বিষয়ে ওই ২০ সাংসদ কী জবাব দেন। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বই বা কী পদক্ষেপ করে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিলটি পেশ করার অনুমতি সংক্রান্ত ভোটাভুটিতে সরকারের পক্ষে ২৬৩ এবং বিরোধীদের দিকে ১৯৮জন ভোট দেন। যদিও লোকসভায় বিলটি পাশ করাতে হলে ৩৬২জন সাংসদের সমর্থন দরকার।