অভিযোগ, অরবিন্দের প্রাপ্য বেতন ও ইনসেনটিভ মিলিয়ে ১৭.৪৬ লক্ষ টাকা কোম্পানি আটকে রেখেছিল।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স - শুভ্র শর্ভিন
শেষ আপডেট: 20 October 2025 16:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সম্প্রতি ওলা (Ola)–র এক কর্মীর আত্মঘাতী (Ola employee suicide) হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। উদ্ধার করা সুইসাইড নোটের ভিত্তিতে অ্যাপ ক্যাব সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ভাবিশ আগরওয়ালের (Bhavish Aggarwal) বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার (abetment of suicide) মামলা দায়ের (FIR) হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই কর্মী আত্মহত্যা করার আগে ২৮ পাতার এক সুইসাইড নোটে (suicide note) কর্মক্ষেত্রে হেনস্তার বিস্তারিত অভিযোগ রেখে যান।
বেঙ্গালুরু পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে ভাবিশ আগরওয়ালের পাশাপাশি ওলার ভেহিকল হোমোলগেশন অ্যান্ড রেগুলেশন প্রধান সুব্রত কুমার দাস (Subrath Kumar Das) এবং আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মৃত কর্মীর ভাই অশ্বিন কান্নানের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত কে অরবিন্দ (৩৮) ওলার ইলেকট্রিক মোবিলিটি ডিভিশনে কাজ করতেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি নিজের বাড়িতে বিষ খেয়ে বিষ আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে তাঁর পরিবার ২৮ পাতার এক আত্মহত্যার চিঠি উদ্ধার করে, যেখানে অরবিন্দ তাঁর উর্ধ্বতন কর্তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হেনস্তা ও কাজের চাপ, মানসিক নির্যাতনের অভিযোগের কথা লিখে রেখেছিলেন।
পরিবারের তরফে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, অরবিন্দের প্রাপ্য বেতন ও ইনসেনটিভ মিলিয়ে ১৭.৪৬ লক্ষ টাকা কোম্পানি আটকে রেখেছিল। পাশাপাশি ওলার এইচআর বিভাগ তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসা একাধিক 'অস্বচ্ছ' টাকার লেনদেন নিয়েও কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি।
এক পুলিশ আধিকারিক সংবাদমাধ্যমে জানান, “অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নোটিশ পাঠিয়েছি, এবং তাঁরা লিখিত জবাব দিয়েছেন। তদন্ত এখনও চলছে।”
এদিকে সোমবার ওলা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এই এফআইআর–এর বৈধতা নিয়ে কর্নাটক হাইকোর্টে আবেদন করেছে এবং আদালত তাদের পক্ষে প্রটেকটিভ অর্ডার দিয়েছে।
কোম্পানির দাবি, মৃত ওই কর্মী চাকরি করাকালীন কোনও অভিযোগ বা হয়রানির কথা কখনও জানাননি এবং তাঁর পদ অনুযায়ী কোম্পানির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে (সিইও-সহ) তাঁর সরাসরি যোগাযোগও ছিল না।
ওলার বিবৃতিতে সরাসরি জানানো হয়েছে, “অরবিন্দ তাঁর চাকরির সময়ে কখনও কোনও অভিযোগ করেননি বা হেনস্তার কথা জানাননি। তাঁর দায়িত্বের আওতাতেও কোম্পানির শীর্ষ ম্যানেজমেন্ট দলের সঙ্গে কোনও সরাসরি যোগাযোগ ছিল না।”