
শেষ আপডেট: 9 February 2025 20:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিকেনের বদলে দুপুরের খাবার হিসেবে দেওয়া হবে গরুর মাংসের বিরিয়ানি। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার শাহ সুলেমান হলে এমন নোটিশ পড়তেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
কলেজ কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত নোটিশে পরিস্কার লেখা রয়েছে, "রবিবারের মধ্যাহ্নভোজের মেনু পরিবর্তন করা হয়েছে এবং চাহিদা মতো মুরগির বিরিয়ানির বদলে গরুর মাংসের বিরিয়ানি পরিবেশন করা হবে।" এমন নোটিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই বিতর্কের ঝড়।
প্রথমে কলেজ কর্তৃপক্ষ মুখে কুলুপ আঁটলেও পরে বিতর্ক শুরু হতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় এটা অনিচ্ছাকৃত ভুল। টাইপিং মিসটেকের কারণেই এমন বিপত্তি। এরপরই খুলে দেওয়া হয় নোটিশটি। আলিগড় মুসলিম বিদ্যালয়ের তরফে আরও জানানো হয়েছে, "বিষয়টি আমাদের নজরেও এসেছে। আমরা দেখতে পেয়েছি নোটিশটিতে গরুর মাংসের বিরিয়ানি কথা লেখা ছিল। তবে, এটা টাইপিং মিসটেক। নোটিশটি খুলে নেওয়া হয়েছে কারণ এতে কোনও সরকারী স্বাক্ষর ছিল না।"
ঘটনায় দুই ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে কর্তৃপক্ষের আরও অভিযোগ, "আমাদের নামে ভুয়ো নোটিশ জারি করার জন্য দুই সিনিয়র ছাত্রকে শোকজ নোটিশ ধরানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনে চলা হবে।" বিষয়টি সামনে আসতেই তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তথা বিজেপি নেতা নিশীথ শর্মা।
ইতিমধ্যে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু তকমা পুনর্মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। ১৯৬৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায়েই সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা হারিয়েছিল এই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৮১ সালে তৎকালীন সরকার আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন করে সেটিকে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ফিরিয়ে দিয়েছিল। তবে ২০০৬ সালে এলাহাবাদ হাই কোর্ট ১৯৮১ সালের সংশোধনীকে ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়েছিল।