
কাশীতে চাট খাচ্ছেন নীতা আম্বানি।
শেষ আপডেট: 1 July 2024 12:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছোট ছেলের বিয়ের কারণে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই রিলায়েন্স সাম্রাজ্ঞী শাশুড়ি নীতা আম্বানির। সম্প্রতি কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে গিয়ে ভোলেবাবাকে বিয়ের কার্ড দিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েও এসেছেন। মন্দিরে যাওয়ার পথে পড়ে বারাণসীর সুপ্রাচীন চাটের দোকান কাশী চাট ভাণ্ডার। মন্দির থেকে ফেরার পথে চাটের দোকান দেখে সেখানে দাঁড়িয়ে পড়েন মুকেশ-গিন্নি। তাঁর খুবই প্রিয় টম্যাটো চাটও খেয়ে নিলেন।
কাহিনির শেষ এখানেই নয়। চাট খেয়ে তাঁর এতটাই মন মজেছে যে, ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানির বিয়ের দিন মুম্বইয়ে অতিথি আপ্যায়ণে চাটের সম্ভার সাজানোর প্রস্তাবও দিয়ে দেন রিলায়েন্স সাম্রাজ্যের কর্ত্রী। বেনারসে বাবা বিশ্বনাথকে নিমন্ত্রণ জানাতে এসে রথ দেখা ও কলা বেচার কাজও করে ফেলেন নীতা।
বেনারস মানেই বেনারসি শাড়ির জন্মশহর। ফলে সেখান থেকে বেনারসি কেনাকাটাও করে ফেলেন নীতা আম্বানি। সূত্রে জানা গিয়েছে, ছেলের বিয়ের জন্য প্রায় ৫০-৬০টি বেনারসি কিনেছেন এবং নিজের ডিজাইন মতো তৈরির অর্ডার দিয়ে এসেছেন নীতা আম্বানি। একেকটি শাড়ির দাম প্রায় ৬ লক্ষ টাকা করে।
এখানে বেনারসি কারিগরদের সঙ্গেও কথা বলেন। সূত্র জানিয়েছে, লক্ষ বুটি এবং হাজার বুটির বেনারসি কিনেছেন নীতা। এইসব শাড়ি করতে বেশ কয়েকজন কারিগরের বেশ কিছুদিন সময় লাগে। এইসব শাড়ির জরি তৈরি হয় রুপো এবং সোনা দিয়ে।
বিশ্বনাথের শহর বেনারস বুকে করে নিয়ে বসে আছে নানান সামগ্রীতে। বেনারসি শাড়ি ছাড়াও বেনারসি চাট, বেনারসি পান এবং রাবড়ি খুবই বিখ্যাত। চাটের দোকানের মধ্যে ঐতিহ্যশালী হল কাশী চাট ভাণ্ডার। মন্দির যাওয়ার পথে ছোট্ট এই দোকানে দিনভর ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। এই দোকানে নানা রকম চাট পাওয়া যায়। যার মধ্যে বিখ্যাত হল পালক পাতা চাট, টম্যাটো চাট, আলু টিক্কি চাট। দোকান সূত্রে জানা গিয়েছে, নীতা আম্বানি টম্যাটো ছাড়াও পালক পাতা চাট, ফালুদা এবং রাগদা প্যাটিস টেস্ট করেছেন। আর এতই পছন্দ হয়েছে যে, ছেলের বিয়েতে এই প্রতিষ্ঠানকে অতিথিদের পেটপুজোয় সেবা করার ডাক দিয়ে গিয়েছেন।