Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকের

হিন্দি বর্ণমালা শেখাতে ইসলাম ধর্মীয় শব্দের উদাহরণ! 'অনিচ্ছাকৃত ভুল' স্বীকার স্কুল অধ্যক্ষের

স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলি এ নিয়ে আপত্তি জানায়। পুলিশ এসে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

হিন্দি বর্ণমালা শেখাতে ইসলাম ধর্মীয় শব্দের উদাহরণ! 'অনিচ্ছাকৃত ভুল' স্বীকার স্কুল অধ্যক্ষের

প্রতীকী ছবি

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 9 August 2025 18:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কনভেন্ট স্কুলে হিন্দি বর্ণমালার চার্টে ইসলামি ধর্মীয় উদাহরণ ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মধ্যপ্রদেশের রায়সেন জেলায়। অভিযোগ, বেবি কনভেন্ট স্কুলের অধ্যক্ষ আই এ কুরেশি শিশুদের জন্য এমন চার্ট বিতরণ করেছেন, যেখানে লেখা ছিল- ‘ক মানে কাবা, ম মানে মসজিদ, ন মানে নামাজ’।

ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। শুক্রবার অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখিয়ে অধ্যক্ষকে ঘেরাও করেন। স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলিও চার্টটি নিয়ে আপত্তি জানায়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রায়সেনের সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার বলেন, “বিষয়টি শিক্ষা দফতরের আওতায় থাকায় তা জেলা শিক্ষা আধিকারিকের (DEO) কাছে পাঠানো হয়েছে।”

জেলা শিক্ষা আধিকারিক এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানান, তদন্ত করে দেখা হবে কোথায় বিভ্রান্তি হয়েছে। যদিও তাঁর কথা, “শিক্ষা দফতরের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের প্রতীক বা ধর্মীয় বিষয়বস্তু পাঠ্যসামগ্রীর অংশ হিসেবে পড়ানো যায় না।”

পারিপার্শ্বিক চাপের মুখে অধ্যক্ষ কুরেশি স্বীকার করেছেন যে বই বিতরণে ভুল হয়েছে, তবে তা ছিল অনিচ্ছাকৃত। তাঁর দাবি, ভোপাল থেকে আনা কিছু বর্ণমালা চার্ট ভুলবশত মাদ্রাসায় ব্যবহৃত চার্টের মতো হয়ে গিয়েছিল। বিক্রেতার ভুলে ৩-৪টি চার্টে ধর্মীয় বিষয় ঢুকে পড়েছে।

অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর এক মাদ্রাসায় চুরির সন্দেহে ১২ বছরের ছাত্রকে দু’দিন ধরে মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

পুলিশ জানায়, জলহুপুর গ্রামের ওই ছাত্র বড় ভাইয়ের সঙ্গে খামারিয়ার মাদ্রাসা ইমদাদুল উলূমের হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করছিল। ৫ আগস্ট মাদ্রাসায় চুরির অভিযোগ ওঠে। এর পরদিন শিক্ষক নোমান সাঈদ লাঠি দিয়ে ছাত্রটিকে মারধর করেন। ৭ অগস্ট আরও এক শিক্ষক রিজওয়ানউদ্দিনও একইভাবে মারধর করেন।

পুলিশের মতে, লাগাতার অত্যাচারে ছেলেটির পিঠ, হাত ও পায়ে গুরুতর কালশিটে পড়ে। এছাড়া তাকে ভয়ও দেখানো হয়। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।


```