
শেষ আপডেট: 20 December 2023 16:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংসদে স্মোক কাণ্ডের জেরে এদিন নতুন করে আরও ২জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হল। চারদিনে সাসপেন্ড হওয়া মোট সাংসদের সংখ্যা ১৪৩। যার জেরে বৃহস্পতিবার লোকসভা কার্যত ‘বিরোধীশূন্য’। বৃহস্পতিবার সেই ‘বিরোধীশূন্য’ লোকসভায় ন্যায় সংহিতা বিল নিয়ে বক্তব্য রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন সংসদে দাবি করেন, “ব্রিটিশ আইনের বদল এনে মোদী সরকার ৩টি নতুন আইন এনেছে। আগামী ১০০ বছরের জন্য দেশের আইন ব্যবস্থাকে যা্ শক্তিশালী করবে।” তাঁর দাবি, “ব্রিটিশরা দেশ ছেড়ে চলে গেলেও এতদিন ইংরেজদের আইনেই দেশ চলছিল। এই প্রথমবার সংবিধান অনুযা্য়ী আইন হচ্ছে। দাসত্বের চিহ্ন শেষ করতে চাইছেন মোদী।”
ন্যায় সংহিতা বিল নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধীরা। এই প্রসঙ্গে বিরোধীদের কটাক্ষ করে এদিন সংসদে শাহ বলেন, “মন খোলা রাখলে বুঝতে পারবে, মন ইডলির মতো শক্ত হলে কিছুই বুঝতে পারবে না। এটা ভাষার সমস্যা নয়, মনের সমস্যা।”
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাজদ্রোহ আইনকে দেশদ্রোহ আইনে পরিবর্তন করা হচ্ছে। বিজেপির একমাত্র আদর্শ দেশকে সম্মান করা। তাই জঙ্গি নির্মূলে এই প্রথম দেশে কঠোর আইন প্রণয়ন হচ্ছে।
শাহের কথায়, “আমরা ব্যক্তির জায়গায় দেশকে রাখছি। দেশের ক্ষতি কেউ করতে চাইলে তাকে বরদাস্ত নয়। সেজন্যই জঙ্গি আইন কঠোরতর করা হচ্ছে।”
শুধু ব্রিটিশ আইনের বদল নয়, নয়া আইনের সাহায্যে আরও বেশি করে প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো যাবে বলেও এদিন দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শাহের দাবি, “৩৭০ ধারা রোধে অতীতে অটল বিহারী বাজপেয়ীর সরকারও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মিলিজুলি সরকারের কারণে তা শেষ পর্যন্ত করতে পারেনি। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এ ব্যাপারে তৎপর হয়েছিল বিজেপি।”
শাহ বলেন, “মোদী সরকার যা বলে তা করে দেখায়।” নিজের দাবির সপক্ষে তাঁর যুক্তি, আমরা বলেছিলাম, আতঙ্কবাদকে বরদাস্ত নয়। ৩৭০ ধারা তুলে ফেলেছি। সংসদে মহিলাদের ৪৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ দিয়েছি। আমরা তিন তালাক নিষিদ্ধ করেছি।”
নয়া আইনে নারী, শিশু সহ সমাজের প্রত্যেক নাগরিকের সুরক্ষা আরও সুনিশ্চিত করা হয়েছে বলেও দাবি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।