Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

কোনও কোচিং ছাড়াই ইউপিএসসি পরীক্ষা পাশ করেছেন দুবার! চিনে নিন আইএএস দিব্যাকে

২০২১ সালে প্রথমবার ইউপিএসসি পরীক্ষা পাশ করেন দিব্যা তানওয়ার। সেবার সারা দেশের নিরিখে তাঁর ব়্যাঙ্ক হয়েছিল ৪৩৮।

কোনও কোচিং ছাড়াই ইউপিএসসি পরীক্ষা পাশ করেছেন দুবার! চিনে নিন আইএএস দিব্যাকে

দিব্যা তানওয়ার

শেষ আপডেট: 4 November 2024 20:34

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের সবথেকে কঠিন পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত এটি। কোনও কোচিং বা প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ কল্পনাই করতে পারেন না ইউপিএসসি পরীক্ষা পাশ করার কথা। কিন্তু দিব্যা কার্যত অসাধ্য সাধন করেছেন। কোনও কোচিং ছাড়াই তিনি ইউপিএসসি পরীক্ষা পাশ করেছেন, তাও একবার নয়, দুবার! 

২০২১ সালে প্রথমবার ইউপিএসসি পরীক্ষা পাশ করেন দিব্যা তানওয়ার। সেবার সারা দেশের নিরিখে তাঁর ব়্যাঙ্ক হয়েছিল ৪৩৮। কোনও কোচিং ছাড়া একবারেই সেই পরীক্ষা পাশ করেছিলেন তিনি। এরপর ঠিক এক বছর পরই ফের ইউপিএসসি সিএসই পরীক্ষা পাশ করেন দিব্যা। এবার তাঁর ব়্যাঙ্ক হয় ১০৫। সবথেকে কম বয়সে (২১) আইপিএস হয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি একজন আইএএস অফিসার। 

হরিয়ানার মহেন্দ্রগড়ের বাসিন্দা দিব্যা ছোটবেলায় পড়াশোনা করেছেন নবোদয় বিদ্যালয় থেকে। সায়েন্স নিয়ে স্নাতক হওয়ার পর তিনি ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করে দেন। ২০১১ সালে দিব্যার বাবা মারা যান। সেই সময়ে তাঁর পরিবার আর্থিকভাবেও সচ্ছ্বল ছিল না। তবে সমস্ত বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে পড়াশোনায় সফল হওয়ার জেদ নিয়ে এগিয়ে চলেন দিব্যা। তার ফল তিনি পান ঠিক ১০ বছর পরই। 

বাবার প্রয়াণ, আর্থিক অক্ষমতার মাঝে দিব্যার একমাত্র শক্তি ছিলেন তাঁর মা। পয়সার অভাবে মেয়েকে কখনও কোচিং সেন্টারে ভর্তি করাতে পারেননি তিনি। কিন্তু মেয়ে তাঁকে কখনও অসম্মানিত হতে দেয়নি। একাই পড়ে সবথেকে কঠিন পরীক্ষা পাশ করেছে সে। 

শুধু পড়াশোনা বা আইএএস অফিসার হিসেবে নয়, সোশ্যাল মিডিয়াতেও যথেষ্ট পরিচিতি লাভ করেছেন এই তরুণী। ইনস্টাগ্রামে তাঁর বর্তমানে ফলোয়ারের সংখ্যা ২ লক্ষ ২৫ হাজারের বেশি। 


```