.webp)
সভাকক্ষ ছোটখাটো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।
শেষ আপডেট: 7 November 2024 11:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৩৭০ ধারা নিয়ে উত্তাল জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা। বৃহস্পতিবার সভার শুরুতেই শাসক জোট ও বিরোধী বিধায়কদের হাতাহাতি, ঘুসোঘুসি, মারামারির সাক্ষী হল জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা কক্ষ। এদিন সকালে গন্ডগোলের সূত্রপাত আওয়ামি ইত্তেহাদ পার্টির বিধায়ক এবং ইঞ্জিনিয়ার রশিদের ভাই খুরশিদ আহমেদ শেখ ৩৭০ ধারা নিয়ে একটি ব্যানার তুলে ধরেন কক্ষে। তা নিয়ে প্রতিবাদ করেন বিরোধী দলনেতা সুনীল শর্মা। তখনই রে রে করে একপক্ষ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে তেড়ে আসে।
মুহূর্তে সভাকক্ষ ছোটখাটো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। ওয়েলে নেমে এসে শাসক ন্যাশনাল কনফারেন্স-কংগ্রেস জোটের বিধায়কদের সঙ্গে বিজেপি বিধায়কদের হাতাহাতি বেধে যায়। চিৎকার-চেঁচামেচিতে কান পাতা দায় হয়। কেউ কেউ বেঞ্চের উপর দাঁড়িয়ে পড়েন। এই অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্শাল ডাকা হয়। মার্শাল এসে গন্ডগোলকারী বিধায়কদের সভা থেকে বের করে দেয়।
বিজেপর বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেন, মার্শাল ডেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্পিকার খুরশিদ আলম একচোখোমি করেছেন। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি রবিন্দর রায়না এনসি এবং কংগ্রেসকে তুলোধনা করেন। এই দুই দল মিলে দেশে ভারত-বিরোধী চক্রান্ত করছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। রায়না বলেন, কংগ্রেস কা হাথ পাকিস্তান কে সাথ, কংগ্রেস কা হাথ টেররিস্ট কা সাথ।
এর আগে বুধবার জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রয়োগের ব্যাপারে একটি প্রস্তাব আনা হয়। তা নিয়ে প্রথম দিনেও সভা উত্তাল হয়ে ওঠে। জম্মু-কাশ্মীরের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর চৌধুরি বিশেষ মর্যাদা প্রদানের প্রস্তাব আনেন। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৫ অগস্ট কেন্দ্র ৩৭০ ধারা বিলোপের ঘোষণা করে। এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে বিজেপি সদস্যরা প্রস্তাবের কপি ছিঁড়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।