মানালি ছাড়াও হিমাচলের অন্যান্য এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী হিমালয় পাদদেশীয় রাজ্যগুলি একই সমস্যায় ভুগছে। জম্মু-কাশ্মীরে কিস্তওয়ার-ধারালির মতো হড়পা বানে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। কাটরায় ভূমিধসে বৈষ্ণোঁদেবী যাত্রা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।

কাটরায় ভূমিধসে বৈষ্ণোঁদেবী যাত্রা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।
শেষ আপডেট: 26 August 2025 17:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বরুণদেবের তীব্র করুণায় বন্যা পরিস্থিতি প্রায় সমগ্র উত্তর ভারতে। দোকান-বাড়ি ধুয়েমুছে গিয়েছে। বড় বড় বাড়ি ভেঙে পড়েছে। জাতীয় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। বহু আবাসিক এলাকা জলমগ্ন। উপরন্তু, আকাশ থেকে ভারী বর্ষণ বিরামহীন। হিমাচল প্রদেশের মানালিতে বিপাশা নদীর জল শহরে ঢুকে ভাসিয়ে দিয়েছে বহু এলাকা।
বিপাশার ভয়ঙ্কর জলস্রোতে একটি বহুতল হোটেল একেবারে ভেসে গিয়েছে। মঙ্গলবার প্রকৃতির এই ধ্বংসলীলায় বেশ কয়েকটি দোকানও ভেঙে চুরমাচুর হয়ে গিয়েছে। মানালি-লেহ্ হাইওয়ের বিভিন্ন জায়গা ভেঙে গিয়ে আটকে রয়েছে বহু যানবাহন। শয়ে শয়ে মানুষ বিভিন্ন উঁচু এলাকায় আশ্রয় নিলেও চতুর্দিকে জলে ভেসে যাওয়ায় সেখানেই আটকে রয়েছেন। বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিদ্যুৎহীন।
মানালি ছাড়াও হিমাচলের অন্যান্য এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী হিমালয় পাদদেশীয় রাজ্যগুলি একই সমস্যায় ভুগছে। জম্মু-কাশ্মীরে কিস্তওয়ার-ধারালির মতো হড়পা বানে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। কাটরায় ভূমিধসে বৈষ্ণোঁদেবী যাত্রা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।
মানালির বাহাং এলাকায় বন্যার জলে একটি দোতলা হোটেল ভেসে গিয়েছে। এছাড়াও দুটি রেস্তরাঁ ও দুটি অন্য দোকানও ভেঙে পড়ে। যদিও কারও মৃত্যু হয়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্যার জলের তীব্র স্রোতে একটি ভারী পণবাহী হেভি ডিউটি ট্রাক খেলনা গাড়ির মতো ভেসে যেতে দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে মান্ডিতে ৪০টি দোকানের দুটি বাড়ি ভেঙে পড়ে।
আবহাওয়া দফতর কাংরা উপত্যকা, চাম্বা ও লাহুল-স্পিতি জেলায় লাল সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়াও উনা, হামিরপুর, বিলাসপুর, সোলান, মান্ডি, কুলু ও শিমলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।