
নূপুর শর্মাকে খুনের ছক
শেষ আপডেট: 5 May 2024 17:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হজরত মহম্মদকে নিয়ে তাঁর বিতর্কিত বক্তব্যের ফলে তুমুল হইচই হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত বিজেপি সাসপেন্ড করে নূপুর শর্মাকে। তাঁকে আবারও খুনের ছক করা হয়েছিল! সুরাত থেকে মূল অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে খুনের ছক ছাড়াও উস্কানি দিয়ে দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
একটি সুতো কারখানার ম্যানেজারের পদে ছিলেন মৌলবী আবু বকর টিমল। মুসলিম শিশুদের ইসলাম শিক্ষা দেওয়ার প্রাইভেট টিউশনও করতেন। তিনিই নূপুর শর্মাকে খুনের ছক করেছিলেন বলে জানতে পেরেছিল পুলিশ। শুধু নূপুর নন, হিন্দু সনাতন সংঘের জাতীয় সভাপতি উপদেশ রানা, হায়দরাবাদের বিধায়ক বিজেপি নেতা রাজা সিং ও এক হিন্দি নিউজ চ্যানেলের এডিটর-ইন-চিফকেও প্রাণে মারার পরিকল্পনা ছিল তার। গুজরাত পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৭ বছর বয়সি এই যুবক চলতি নির্বাচনের সময়ে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টায় ছিল। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ধর্মীয় বিভাজনমূলক পোস্ট করে হিংসা ছড়াতে চাইছিল সে। তার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখে পুলিশ এও জেনেছে, পাকিস্তান ও নেপালের দুই নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল আবু বকরের। খুনগুলি করার জন্য ১ কোটি টাকারও বেশি দিতে রাজি ছিল সে। পাশাপাশি অস্ত্রশস্ত্র জোগান দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিল আবু।
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের মাধ্যমে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে এমন খবর পেয়েই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছিল। সেই সূত্র ধরেই আবু বকরের খোঁজ পায় তাঁরা। আরও কাউকে খুনের ছক কষা হচ্ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, হজরত মহম্মদকে নিয়ে কটুক্তি করার অভিযোগ ছিল নূপুরের বিরুদ্ধে। এরপরই ক্ষোভের আগুনে জ্বলতে থাকে গোটা দেশ। সুপ্রিম কোর্ট থেকে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলা হয় নূপুরকে। সেই সময়ে একের পর এক প্রাণহানির হুমকিও পেয়েছিলেন নূপুর।