Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় সাধ্বী প্রজ্ঞা সহ সব অভিযুক্ত বেকসুর খালাস

মহারাষ্ট্রের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাপূর্ণ মালেগাঁওয়ে ২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর এই বিস্ফোরণ হয়েছিল। যাতে ৬ জন প্রাণ হারান এবং ৯৫ জন জখম হয়েছিলেন।

মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় সাধ্বী প্রজ্ঞা সহ সব অভিযুক্ত বেকসুর খালাস

সাধ্বী প্রজ্ঞা ঠাকুর। ফাইল ছবি।

শেষ আপডেট: 31 July 2025 12:09

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মালেগাঁও বিস্ফোরণের বহু বিতর্কিত মামলায় এনআইএ-র বিশেষ আদালত সব অভিযুক্তকে বেকসুর মুক্তি দিল। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন বিজেপি নেত্রী সাধ্বী প্রজ্ঞা ঠাকুর ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রসাদ পুরোহিত। মহারাষ্ট্রের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনাপূর্ণ মালেগাঁওয়ে ২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর এই বিস্ফোরণ হয়েছিল। যাতে ৬ জন প্রাণ হারান এবং ৯৫ জন জখম হয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার এনআইএ-র বিশেষ বিচারক একে লাহোটি রায় ঘোষণা করে ইউএপিএ আইন সহ অন্যান্য অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। ১৭ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এদিন রায় ঘোষণা হয়। এই বিস্ফোরণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছিলেন বিজেপির প্রাক্তন ভোপালের সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা ঠাকুর সহ ৭ জন।

বিচারক রায়ে বলেন, পুলিশ ও তদন্তকারীরা অভিযুক্তদের অপরাধ সাব্যস্ত করার কোনও জোরাল প্রমাণ হাজির করতে পারেনি। সে কারণে তাঁদের বেনিফিট অফ ডাউটের সুবিধা প্রদান করে নিরপরাধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এই মামলায় যে সাতজন অভিযুক্ত ছিলেন, তাঁরা হলেন, ভোপালের প্রাক্তন বিজেপি এমপি সাধ্বী প্রজ্ঞা ঠাকুর, তৎকালীন সেনা গোয়েন্দা অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রসাদ শ্রীকান্ত পুরোহিত, অবসরপ্রাপ্ত মেজর রমেশ উপাধ্যায়, অজয় রাহিরকর, সুধাকর দ্বিবেদী, সুধাকর চতুর্বেদী এবং সমীর কুলকার্নি।

২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের মালেগাঁওয়ে রমজান মাসে এবং নবরাত্রি উৎসব শুরুর ঠিক মুখে এই বিস্ফোরণ ঘটেছিল। ২০০৮ সালের অক্টোবরে অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হন সাধ্বী প্রজ্ঞা। বিস্ফোরণস্থলে যে মোটর সাইকেলটি উদ্ধার হয়েছিল, সেটি তাঁর নামে রেজিস্ট্রেশন করা ছিল। মহারাষ্ট্র সন্ত্রাস দমন বাহিনী দাবি করে যে, বিজেপি এমপি এই চক্রান্তের মূল হোতা ছিলেন। মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় আগের একটি জঙ্গি হামলার বদলা নিতে রমজান মাসে এই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তিনি, অভিযোগে উল্লেখ করে মুম্বইয়ের এটিএস শাখা।

বিচারক তাঁর রায়দানকালে বেনিফিট অফ ডাউট ঘোষণার সময় বলেন, সন্দেহের বশে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। এনআইএ-র বিশেষ বিচারক লাহোটির কথায়, কোনও সন্দেহ নেই যে, সন্ত্রাসের কোনও ধর্ম হয় না। কিন্তু, আদালত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে একমাত্র তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে। তিনি রায় ঘোষণার মুখেই বলেন, যে বাইকে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল বলে দাবি, তদন্তকারীরা তা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বাইকের চেসিস নম্বর মুছে গিয়েছিল এবং ইঞ্জিন নম্বর নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। ওই বাইকের মালিক এবং সেটি যে সাধ্বী প্রজ্ঞার হেফাজতে তা ছিল, তার কোনও প্রমাণ মেলেনি। বিচারক আরও বলেন, আরডিএক্স আনা হয়েছিল এবং তা দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটনা হয়েছিল, এটাও অভিযোগ। কিন্তুস লেফটেন্যান্ট কর্নেন পুরোহিতের বাড়িতে সেই আরডিএক্স রাখা হয়েছিল এবং সেখানেই বিস্ফোরক তৈরি করা হয়েছিল এরও প্রমাণ হাজির করতে পারেননি তদন্তকারীরা।


```