
শেষ আপডেট: 4 January 2024 17:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন মামলায় সাংসদ পদ খারিজ হয়েছিল আগেই। তারপর সরকারি বাংলোটিও খালি করে দেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। সেই ঘটনায় লোকসভার সচিবালয়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন মহুয়া। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই মামলা প্রত্যাহার করে নিলেন তৃণমূল নেত্রী।
মহুয়াকে আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে দিল্লির সাংসদ বাংলো খালি করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু মহুয়ার দাবি ছিল, যেহেতু তাঁর সংসদ পদ খারিজ হওয়া নিয়ে একটি মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তাই অন্তত লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত বাংলোতে থাকতে দেওয়া হোক তাঁকে। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদের বেঞ্চে সেই মামলা দায়ের করেছিলেন মহুয়া। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে মহুয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি জানান, আদালতের এই ব্যাপারে কিছু করণীয় নেই। তবে কেন্দ্রের ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের কাছে এ বিষয়ে আবেদন জানাতে পারেন মহুয়া। এরপরেই কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন সাংসদ দিল্লি হাইকোর্টে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে নেন।
ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের কাছেই মহুয়া আবেদন জানাতে চলেছেন বলে জানা গেছে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটই নেতা, মন্ত্রী, সাংসদদের থাকার বিষয়টি দেখাশোনা করে। মহুয়া সেখানে আবেদন করলে সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তিনি লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ পর্যন্ত সেখানে থাকতে পারবেন কিনা। যদিও মহুয়ার আইনজীবী জানিয়েছিলেন, আদালতের অনুমতি পেলে বর্ধিত সময়ে সরকারি বাংলোতে থাকার খরচ বহন করবেন মহুয়া নিজেই। তবে যদি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এ ব্যাপারে নেতিবাচক রায় দেওয়া হয়, তাহলে আর মাত্র ৪ দিনের মধ্যেই মহুয়াকে বাংলো খালি করে দিতে হবে।
তৃণমূল নেত্রী এই মামলা প্রত্যাহার করে নিলেও সুপ্রিম কোর্টে তাঁর সংসদ পদ খারিজ সংক্রান্ত মামলাটি এখনও বিচারাধীন। সেই মামলায় বুধবার লোকসভার সচিবালয়কে নোটিস পাঠিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে শীর্ষ আদালত। আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে এই ব্যাপারে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য লোকসভার সচিবকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।