কর্নাটক (Karnataka) সরকার মনে করছে, সোনার খনির সন্ধান মিললে রাজ্যের অর্থনীতি আমূল বদলে যাবে। অনেক অনুসন্ধান, পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সরকারি আধিকারিকেরা মনে করছেন গুপ্তধন মিলতে পারে জঙ্গলের পাথরের গায়ে।
.jpg.webp)
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 8 September 2025 09:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্নাটকের চিক্কামাগালুরু জেলার কারিকেরে জঙ্গল (Karnataka Forest) এলাকার পাথরে বিপুল পরিমাণ সোনা রয়েছে বলে রাজ্যের মাইনস অ্যান্ড মিনারেলস বিভাগ মনে করছে। একাধিক বৈজ্ঞানীক পরীক্ষায় সোনার অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। সেখানে কী পরিমাণ সোনা মজুত আছে, বাণিজ্যিক উত্তোলন লাভদায়ক হবে কি না তা খতিয়ে দেখতে সেখানে খোঁড়াখুঁড়ির অনুমতি দেওয়া হয়েছে একটি বেসরকারি সংস্থাকে।
কর্নাটক (Karnataka) সরকার মনে করছে, সোনার খনির সন্ধান মিললে রাজ্যের অর্থনীতি আমূল বদলে যাবে। অনেক অনুসন্ধান, পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সরকারি আধিকারিকেরা মনে করছেন গুপ্তধন মিলতে পারে জঙ্গলের পাথরের গায়ে। তাই এবার বড়মাপের অনুসন্ধান অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তে আপত্তি তুলেছেন রাজ্যের পরিবেশবাদীরা। তাদের বক্তব্য, কর্নাটকের ওই জঙ্গলে (Karnataka Forest) বেশ কিছু বিরল প্রজাতির পশু-পাখি আছে। খোঁড়াখুঁড়ির কাজ শুরু হলে বন্যপ্রাণ বিপন্ন হবে। আরত্তি তুলেছেন অরণ্যবাসীরাও।
বন দফতর ওই অরণ্যের ১০ হাজার একর এলাকা জুড়ে অনুসন্ধানের অনুমতি দিয়েছে। এরমধ্যে ৫,৬০০ একর হল ঘন জঙ্গল। বাকি এলাকায় চাষআবাহ হয়। কর্নাটক সরকার অরাম জিও-এক্সপ্লোরেশন প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থাকে জঙ্গলে সোনা অনুসন্ধানের দায়িত্ব দিয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গিয়েছিল সেখানে প্রতি টন পাথরে ১৯ থেকে ৮০ গ্রাম পর্যন্ত সোনা পাওয়া যেতে পারে। কতটা এলাকা জুড়ে পাথরে সোনার অস্তিত্ব আছে সেটা যাচাই করাই এই কোম্পানির উদ্দেশ্য।
এই কাজ করতে তারা জঙ্গলের গভীরে বুলডোডার এবং খননের বিশাল যন্ত্রপাতি নিয়ে যাবে। আকাশ থেকে বড় মাপের ড্রোনও ব্যবহার করবে ওই সংস্থা। এই খবর জানাজানি হতেই বেঁকে বসেছে বনবাসীরা। তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলি। আশঙ্কা করা হচ্ছে খোঁড়াখুঁড়ির ফলে বিপুল আওয়াজ ও ধুলোর দুষণে বিপন্ন হবে বণ্যপ্রাণ এবং বনবাসীরা।
কর্নাটকের চিক্কামাগালুরু জেলার সিঙ্গানামানে, তাম্বাজিহালি, গোনিবিদু হন্নুহাট্টি এবং হোসুরুতে সোনার সন্ধান পাওয়া যায়। তবে বাণিজ্যিক উদ্দেশে উত্তোলন শুরু করার মতো সোনা সেখানে পাওয়া যায়নি।