বিশ্বাসকে যারা প্রথমে দুর্ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেন তারা জানিয়েছেন, তিনি আবার ওই আগুনের গোলার মধ্যে ঢুকে যেতে চাইছিলেন!

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 17 June 2025 16:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৪২ জন যাত্রী ছিলেন আমদাবাদে দুর্ঘটনার (Ahmedabad Plane Crash) শিকার এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে। ২৪১ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। শুধু বেঁচে গেছেন একজন। বিশ্বাস কুমার রমেশ (Vishwas Kumar Ramesh)। তাঁকে নিয়ে তো এখন দেশ-বিশ্বজুড়ে চর্চা চলছে। তবে তাঁকে উদ্ধার করা স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিমান ভেঙে পড়ার পর বেঁচে গেলেও পরে তিনি মারাও যেতে পারতেন!
লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ড্রিমলাইনার বিমানের (Air India Crash) যাত্রীদের মধ্যে বিশ্বাসের ভাইও ছিলেন। বাকিদের মতো তাঁরও মৃত্যু হয়েছে। এদিকে বিশ্বাসকে যারা প্রথমে দুর্ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেন তারা জানিয়েছেন, তিনি আবার ওই আগুনের গোলার মধ্যে ঢুকে যেতে চাইছিলেন! আসলে নিজের ভাইকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই তা সম্ভব হয়নি।
বিশ্বাসকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রথম বেরিয়ে আসতে দেখেছিলেন অ্যাম্বুলেন্স চালক সতিন্দর সিং সান্ধু। তাঁর কথায়, ওই যুবক মেডিক্যাল হস্টেলের ওই আগুনের গোলার মধ্যে থেকে হেঁটে বেরিয়ে এসেছিলেন। আমরা দৌড়ে তাঁর কাছে যাই। কিন্তু তিনি আবার ওই আগুনের গোলার মধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তখন তাঁকে আটকানো হয়। পরে জানা যায়, বিমানে তাঁর ভাই ছিলেন।
দুর্ঘটনার পরই বিশ্বাসের একটি ভিডিও সামনে এসেছিল যেখানে দেখা গেছিল, তিনি হাতে ফোন নিয়ে বহাল তবিয়তে হেঁটে চলেছেন। সম্প্রতি তাঁর আরও একটা ভিডিও প্রকাশ্যে (Viral Video) এসেছে। তাতে যা দেখা যাচ্ছে তা সত্যিই অকল্পনীয়। নয়া ভিডিও দেখা যায়, জুনিয়র ডাক্তারদের হস্টেল ভেদ করে ঢুকে গেছে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান (Air India Crash)। দাউদাউ করে জ্বলছে সেটি। গোটা এলাকা গাঢ় কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। আচমকা সেই কুণ্ডলীকৃত তাপের গোলার মধ্যে দিয়েই সাদা জামা পরে রমেশ হাতে ফোন নিয়ে বেরিয়ে আসছেন। তাঁকে দেখে ছুটে যাচ্ছেন কয়েকজন। এরপর তাঁরাই তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান।
৩৮ বছর বয়সি রমেশ, ব্রিটিশ নাগরিক এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তিনি বিমানের বাঁ দিকের ইমার্জেন্সি দরজার পাশে ১১এ নম্বর সিটে বসে ছিলেন।