
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 13 April 2025 12:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহারাষ্ট্রের কল্যাণে এক নাবালিকাকে অপহরণ, ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া বিশাল গাওলি (৩৫) আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাতে তিনি নবি মুম্বইয়ের তালোজা সেন্ট্রাল জেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে মুম্বইয়ের জেজে হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে খারঘর থানা।
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার ভোর রাত ৩.৩০টা নাগাদ জেলের শৌচালয়ে গিয়ে গাওলি নিজের গামছা ব্যবহার করে আত্মহত্যা করেন। কিছুক্ষণ পর জেল কর্তৃপক্ষ তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। সঙ্গে সঙ্গেই পঞ্চনামা করা হয় এবং দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর থানের কল্যাণ এলাকার কোলসেওয়াদি থেকে নিখোঁজ হয় এক ১২ বছর বয়সি মেয়ে। পরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয় পাডঘার অন্তর্গত বাপগাঁও গ্রামে। তদন্তে উঠে আসে, বিশাল গাওলি ও তাঁর স্ত্রী সাক্ষী গাওলি অপহরণের পর ধর্ষণ ও খুনে জড়িত। এরপর গোপনে মৃতদেহ ফেলে দেন তাঁরা।
কল্যাণ পুলিশের চার্জশিট অনুযায়ী, বিশাল গাওলি কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুন করেন এবং সাক্ষী দেহ গোপন করতে সাহায্য করেন। দম্পতির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং শিশু সুরক্ষা আইনের (POCSO) একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পুলিশ একটি ৯৪৮ পাতার চার্জশিট জমা দেয়। এই মর্মান্তিক ঘটনার জেরে রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। দোষীদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তির দাবি ওঠে সর্বত্র। অভিযুক্ত বিশাল গাওলির জেলে আত্মহত্যার খবরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্যে।