দিল্লি বিস্ফোরণের রেশ কাটার আগেই জইশ-এর নামে নতুন হুমকি মেল পৌঁছনোর দাবি উঠেছে। বোমাতঙ্কে দিল্লির একাধিক স্কুল ও আদালত প্রাঙ্গণে চলছে তল্লাশি, বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশের বিশেষ দল।

ঘটনাস্থলের ছবি
শেষ আপডেট: 18 November 2025 14:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির বিভিন্ন জেলা আদালতে পরপর বোমাতঙ্কের মেল, বিশাল নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে রাজধানীকে। সাকেত, পাটিয়ালা হাউস, তিস হাজারি, রোহিণী, দ্বারকা- একাধিক আদালতে বোমার হুমকির ইমেল পৌঁছনোর পরই তড়িঘড়ি ভবন খালি করা শুরু করে পুলিশ। মোতায়েন হয় বম্ব স্কোয়াড, ডগ স্কোয়াড ও অ্যান্টি-সাবোটাজ ইউনিট। সব জেলা আদালতেই বাড়িয়ে দেওয়া হয় নিরাপত্তা, কর্মীদের রাখা হয় উচ্চ সতর্কতায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, 'জইশ ই মহম্মদ'-এর নামে পাঁচটি আদালতকে নিশানা করে হুমকির ইমেল পাঠায়। ঠিক এক সপ্তাহ আগে লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়, একটি হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে ৯০ কেজির বেশি বিস্ফোরক রাখা ছিল, সেটি ফেটে যায়। মৃত্যু হয় ১৩ জনের। সেই ঘটনার রেশ কাটার আগেই ফের বোমাতঙ্কে নড়েচড়ে বসেছে গোয়েন্দারা।
সাকেত বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অনিল বসোয়া জানান, সকাল ১১টা নাগাদ জইশ-ই-মহম্মদের নামে হুমকির ইমেল আসে। সঙ্গে সঙ্গে পুরো ভবন খালি করা হয়, আদালতের কার্যকলাপ দুপুর ২টো পর্যন্ত স্থগিত থাকে। তিনি জানান, দু’টি মূল ভবন পুরোপুরি তল্লাশি করে দেখা হয়েছে। কোথাও কোনও সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি, আদালত প্রাঙ্গণ বা আইনজীবী চেম্বার, কোথাও নয়।
CRPF-এর দুই স্কুলেও বোমার হুমকি
এই পরিস্থিতিতেই রাজধানীর দু’টি সিআরপিএফ স্কুলেও পৌঁছয় বোমার হুমকি। দ্বারকার সিআরপিএফ স্কুল ও প্রশান্ত বিহারের সিআরপিএফ স্কুলে হুমকির খবর পেয়ে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ হিসেবে ক্যাম্পাস ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা কর্মীরা। হুমকি কোথা থেকে আসছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
উচ্চ সতর্কতায় নিরাপত্তা সংস্থা
শহরের শীর্ষ পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, প্রতিটি ইউনিট সক্রিয় করে ফেলেছে প্রশাসন। আদালত ও স্কুলের বাইরে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অভিভাবক ও দর্শনার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে হুমকি একক কোনও উৎস থেকে এসেছে কি না।