পুলিশ আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটের পার্কিং লটের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে দম্পতিকে গাড়ির কাছে দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা যায়। সুমন তাঁর স্বামী ধর্মেন্দ্রকে গাড়ি নিয়ে যেতে বাধা দিচ্ছিলেন।

জয়পুরে দম্পতির রহস্যমৃত্যু
শেষ আপডেট: 30 June 2025 12:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জয়পুরে এক দম্পতির রহস্যমৃত্যু! ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হল জোড়া দেহ (Jaipur Couple Death) । ঘটনার আগের দিনই সিসিটিভি ফুটেজে (CCTV Death) দুজনের কথা বলার দৃশ্য ধরা পড়েছে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হলেও পুলিশ খুনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয় না। তদন্ত চলছে।
মৃত দম্পতির নাম ধর্মেন্দ্র এবং সুমন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি বেসরকারি ব্যাংকে সেলস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন ধর্মেন্দ্র। শুক্রবার অফিসে না গেলে এক সহকর্মী বন্ধু তাঁকে ফোন করেন। বেশ কয়েকবার ফোনে চেষ্টা করেই কোনও সাড়া না পাওয়া গেলে তাঁর এক আত্মীয়কে ফ্ল্যাটে পাঠান। ফ্ল্যাটের দরজা খুলতেই দেখা যায়, ধর্মেন্দ্র ও সুমনের নিথর দেহ মেঝেতে পড়ে আছে (Jaipur Couple Death)।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটের পার্কিং লটের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে দম্পতিকে গাড়ির কাছে দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা যায়। সুমন তাঁর স্বামী ধর্মেন্দ্রকে গাড়ি নিয়ে যেতে বাধা দিচ্ছিলেন। তারপর দু’জনেই গাড়ি থেকে নেমে যান এবং একসঙ্গে হেঁটেই বাইরে বেরোন। সেইসময় ধর্মেন্দ্রর হাত স্ত্রীর কাঁধে রাখা ছিল।
সেই রাতেই সিসিটিভি-তে তাঁদের আবার ফ্ল্যাটে ঢুকতে দেখা যায়। সুমনের হাতে একটি ব্যাগ ছিল। ওই ফুটেজেই দুজনকে শেষবার জীবিত অবস্থায় দেখা যায়।
দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে, যাদের বয়স ১১ ও ৮। স্কুলে গরমের ছুটি (Summer V) থাকায় দুজনেই বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে ভরতপুর গ্রামে রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ধর্মেন্দ্র ও সুমন বছর খানেক আগে ওই ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। তাঁদের আর্থিক অবস্থাও স্বচ্ছল ছিল। এই ফ্ল্যাটে থাকাকালীন দুজনের মধ্যে কোনও অশান্তির আঁচ তাঁরা পাননি।
তবে সুমনের বাবা অজয় সিং অভিযোগ করেছেন, তাঁর মেয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর কথায়, 'এটা শুধু আত্মহত্যা (Suicide Case) নয়, খুনের দিকও খতিয়ে দেখা উচিত। মেয়ের সংসারে কোনও অশান্তি ছিল না। মৃত্যুর আসল কারণ খুঁজে বের করতেই হবে।' জানা গিয়েছে, দম্পতির মোবাইল ফোন (Mobile) ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ফ্ল্যাটে জোর করে ঢোকার কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। আলমারিতেও সমস্ত গয়না, টাকা পয়সা, কিছুই চুরি হয়নি।