সূত্রের খবর, ইডি-র তরফে যে রিজয়েন্ডার জমা দেওয়ার কথা ছিল, তা আজই জমা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। তার পরেই ঠিক হয়, এ দিন আর শুনানি সম্ভব নয়।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 18 February 2026 12:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ১০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি (Supreme Court I-PAC Case Hearing) ছিল। কিন্তু রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিবাল (Kapil Sibal) অসুস্থ হয়ে পড়ায় সেই শুনানি পিছিয়ে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) করা হয়। কিন্তু এদিনও সেই শুনানি হল না। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ১৮ মার্চ। সে দিন শুনানি সম্পূর্ণ না হলে তার পরের দিন শুনানি সম্পূর্ণ করা হবে।
সূত্রের খবর, ইডি-র (I-PAC ED Case) তরফে যে রিজয়েন্ডার জমা দেওয়ার কথা ছিল, তা আজই জমা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। তার পরেই ঠিক হয়, এ দিন আর শুনানি সম্ভব নয়। কেন্দ্রের তরফে হোলির পর শুনানির দিন ধার্য করার অনুরোধ করা হলে আগামী ১৮ তারিখ সেই দিন নির্ধারণ করা হয়েছে মামলার শুনানির জন্য।
উল্লেখ্য, আইপ্যাক মামলাকে (I-PAC ED Raid) ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজ্য থেকে রাজধানী পর্যন্ত। কয়লা পাচার মামলায় (Coal Smuggle Scam) ইডি আধিকারিকরা কলকাতায় অভিযান চালিয়ে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের (I-PAC Pratik Jain) বাড়ি এবং সল্টলেকে সংস্থার অফিসে হানা দিয়েছিল। তল্লাশি অভিযান চলাকালীন দুই জায়গাতেই উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শীর্ষ আদালতে আগেই জানিয়েছেন যে, তদন্ত সংক্রান্ত কোনও নথি নেওয়া হয়নি, বরং ইডি আধিকারিকদের অনুমতি নিয়ে দলীয় নথি বের করে নেওয়া হয়েছিল।
আগের শুনানিতে কী হয়েছিল?
ইডির অভিযোগের জবাবে রাজ্যের তরফে বিশিষ্ট আইনজীবী কপিল সিবাল (Kapil Sibal) বলেছিলেন, ইডির জমা দেওয়া ভিডিও রেকর্ডিং দেখতে। সমস্ত ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা একতরফা মিথ্যা। ইডি আইপ্যাক অফিসে পৌঁছেছিল সকাল ৬টা ২০ মিনিট নাগাদ। আর মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন দুপুর ১২টার সময়। বেরিয়ে গিয়েছেন সওয়া ১২টায়। ১২টা ৫ মিনিট পর্যন্ত ইডি কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত করেনি। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় (সাংবিধানিক প্রতিবিধান সংক্রান্ত মৌলিক অধিকার) অভিযোগ এনেছিল ইডি। রাজ্যের বিরুদ্ধে ‘বেআইনি হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয় তারা।