সোমবার সকাল আটটার মধ্যেই আমদাবাদ বিমানবন্দর আটটি বিমান বাতিল করে। এরমধ্যে নয়টি সেখান থেকে ছাড়ার কথা ছিল। অবতরণের কথা ছিল বাকি নয়টির।

ইন্ডিগোর বিমান সংকট অব্যাহত
শেষ আপডেট: 8 December 2025 11:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবায় সংকট (Indigo flight cancellation crisis) সোমবার সপ্তম দিনে পড়ল। অপারেশন্যাল সংকট (Operational crisis) সোমবারও অব্যাহত। দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু মিলিয়ে শতাধিক ফ্লাইট বাতিল (hundreds of flights cancelled) করা হয়েছে সকাল থেকে। বিমানবন্দরে যাওয়ার পর ফ্লাইট বাতিলের খবর পেয়ে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দেন যাত্রীরা। তীব্র রোষের মুখে পড়েছেন বিমান কর্মীরা। নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানেরা কোনওক্রমে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন। কলকাতা বিমান বন্দর নিয়ে নির্দিষ্ট খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার সকাল আটটার মধ্যেই আমদাবাদ বিমানবন্দর আটটি বিমান বাতিল করে। এরমধ্যে নয়টি সেখান থেকে ছাড়ার কথা ছিল। অবতরণের কথা ছিল বাকি নয়টির। হায়দরাবাদ বিমানবন্দর থেকে বাতিল করা হয় ৭৭টি ফ্লাইট। এরমধ্যে গমন ও আগমন দুই ধরনের বিমানই আছে। মু্ম্বইয়ে বাতিল করা হয় শতাধিক ফ্লাইট। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বাতিল হয়েছে ১৩৪টি ফ্লাইট। এরমধ্যে ৫৯টি ফ্লাইট অবতরণ করার কথা ছিল।
এই পরিস্থিতিতে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের বিমান চলাচল সংক্রান্ত সংস্থা ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA) নতুন করে পাইলটদের প্রতি আর্জি জানিয়েছে কাজে যোগ দিতে। সোমবার সকালে দিল্লি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের উদ্দেশে নতুন নির্দেশিকা জারি করে বলেছে, বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করার আগে বিমানের ওঠানামা নিয়ে তথ্য যাচাই করে নিন। নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, ‘ইন্ডিগোর বিমানগুলি বিলম্বের সম্মুখীন হতে পারে। অসুবিধা এড়াতে যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে তাদের বিমান সংস্থার সঙ্গে বিমানের অবস্থা জেনে নেওয়া জরুরি।
নির্দেশিকাটিতে আরও বলা হয়েছে, ‘সমস্যা দূর করতে এবং একটি মসৃণ ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সকল অংশীদারদের সঙ্গে আমরা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছি। চিকিৎসা-সহ সব ধরনের সহায়তার জন্য দয়া করে তথ্য ডেস্কে যান। যেখানে অন-গ্রাউন্ড কর্মীরা সাহায্য করতে প্রস্তুত।’ যদিও যাত্রীরা এই ধরনের পরামর্শে বিরক্ত। তাদের বক্তব্য, আসল সমস্যার সমাধান না করে বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ মানুষকে বোকা বানাতে চাইছে।
এদিকে, ডিজিসিএ (DGCA) ইন্ডিগোর অ্যাকাউন্টেবল ম্যানেজার এবং সিইওকে ৬ ডিসেম্বর জারি করা কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার দিতে আরও ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছে। ৮ ডিসেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ এবং উপযুক্ত উত্তর জমা না দিলে বিষয়টি একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।