অত্যাধুনিক ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান স্টাইলে নির্মিত এই দুই লাউঞ্জে অন্তত ২৫ জন থাকতে পারেবন। এছাড়াও থাকছে বিশুদ্ধ পানীয় জল, মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট এবং পরিচ্ছান্ন শৌচাগার।

চেন্নাইয়ে এসি লাউঞ্জ
শেষ আপডেট: 12 June 2025 20:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝড়, রোদ, বৃষ্টির পরোয়া না করে প্রতিদিন যারা বিভিন্ন ঠিকানায় প্রয়োজনের জিনিস পৌঁছে দেন, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই অভিনব উদ্যোগ গ্রেটার চেন্নাই কর্পোরেশনের। এবার এসি ঘরে বসে বিশ্রাম নিতে পারবেন ডেলিভারি এজেন্টরা। সঙ্গে থাকবে খাবারের ব্যবস্থাও। 'গিগ ইকোনমি'-তে (Gig Economy) যুক্ত কর্মীদের জন্য এসি লাউঞ্জের ব্যবস্থা গোটা দেশে এই প্রথম (India's First AC Lounges For Delivery Agents)।
অত্যাধুনিক ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান স্টাইলে নির্মিত এই দুই লাউঞ্জে অন্তত ২৫ জন থাকতে পারেবন। এছাড়াও থাকছে বিশুদ্ধ পানীয় জল, মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট এবং পরিচ্ছান্ন শৌচাগার। গিগ কর্মীদের (GIG Worker) ক্লান্তি দূর করতে চালু হওয়া এই পাইলট প্রকল্প নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা।
এক মহিলা ডেলিভারি এজেন্ট (Delivery Agent) অনুপ্রিয়া জানান, 'আগে কোথাও বসার জায়গা পেতাম না। রেস্তরাঁর বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতাম। এখন আর চিন্তা নেই। কর্পোরেশন এবং মুখ্যমন্ত্রী আমাদের কথা ভেবে এই লাউঞ্জ বানিয়েছেন, তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ। রাতেও নিরাপদভাবে থাকা যায়।'
অন্য এক ডেলিভারি এজেন্ট জানান, "চেন্নাইতে প্রচণ্ড গরম। আগে পার্কে বসতাম, তাও গাড়ি চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। এখন এই লাউঞ্জে শান্তি পাই, একটু ঠান্ডা মাথায় বিশ্রাম নিতে পারি।"
তামিলনাড়ুর অর্থমন্ত্রী (Tamilnadu Finance Minister) তাঁর বাজেট বক্তৃতায় চেন্নাই (Chennai) ও কোয়েম্বাটোরে এমন লাউঞ্জ তৈরি করার কথা বলেছিলেন। এখন চেন্নাই কর্পোরেশন জানিয়েছে, পাইলট প্রকল্প সফল হলে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ডেলিভারি এজেন্টদের জন্য আরও এসি লাউঞ্জ তৈরি করা হবে।
ভারতের শহরগুলিতে যখন গিগ ইকোনমির উপর নির্ভরতা বাড়ছে, তখন চেন্নাইয়ের এই পদক্ষেপ দেশের অন্য শহরগুলির জন্য উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে- শুধু আরামের জায়গা নয়, এই লাউঞ্জ কর্মীদের প্রাপ্য সম্মান ও স্বীকৃতির চিহ্ন বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।