Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

চিনকে টপকে বিশ্বের শীর্ষ চাল উৎপাদক দেশ ভারত, নেপথ্যে উচ্চ ফলনশীল বীজের উন্নয়ন ও বিশ্ববাজারে রফতানি

রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (আইসিএআর)-এর তৈরি ২৫টি ক্ষেত্রশস্যের ১৮৪টি উন্নত জাতের উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী।

চিনকে টপকে বিশ্বের শীর্ষ চাল উৎপাদক দেশ ভারত, নেপথ্যে উচ্চ ফলনশীল বীজের উন্নয়ন ও বিশ্ববাজারে রফতানি

নরেন্দ্র মোদী

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 5 January 2026 17:34

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বের শীর্ষ চাল উৎপাদক দেশ (India Surpasses China In Rice) হিসেবে চিনকে টপকে গেল ভারত (India)। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের (Shivraj Singh Chouhan) দাবি, বর্তমানে ভারতে চাল উৎপাদনের পরিমাণ ১৫০.১৮ মিলিয়ন টন, যেখানে চিনের উৎপাদন ১৪৫.২৮ মিলিয়ন টন। উন্নতমানের উচ্চ ফলনশীল বীজের উন্নয়ন এবং বিশ্ববাজারে চাল রফতানিতে ভারতের সাফল্যই এই কৃতিত্বের নেপথ্যে বলে জানিয়েছেন তিনি (India Rice Production)।

রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (আইসিএআর)-এর তৈরি ২৫টি ক্ষেত্রশস্যের ১৮৪টি উন্নত জাতের উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী। নতুন জাতগুলির মধ্যে রয়েছে ১২২টি শস্য, ৬টি ডাল, ১৩টি তেলবীজ, ১১টি পশুখাদ্য ফসল, ৬টি আখ, ২৪টি তুলো এবং পাট ও তামাকের একটি করে জাত।

চৌহান নির্দেশ দেন, এই উন্নত বীজ যেন দ্রুত কৃষকদের হাতে পৌঁছয়। তাঁর কথায়, নতুন জাতগুলি চাষে ফলন বাড়বে, উৎপাদনের গুণমানও উন্নত হবে। একই সঙ্গে ডাল ও তেলবীজ উৎপাদনে আরও জোর দেওয়ার জন্য কৃষিবিজ্ঞানীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি, যাতে এই ক্ষেত্রগুলিতে দেশ স্বনির্ভর হতে পারে।

কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে গত ১১ বছরে মোট ৩,২৩৬টি উচ্চ ফলনশীল জাত অনুমোদিত হয়েছে। তুলনায় ১৯৬৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময়ে অনুমোদিত জাতের সংখ্যা ছিল ৩,৯৬৯।

আইসিএআর-এর বিজ্ঞানীদের তৈরি নতুন জাতগুলি জলবায়ু পরিবর্তন, খরাভাব, লবণাক্ত মাটি, নানা জৈব ও অজৈব চাপের মতো সমস্যার মোকাবিলার কথা মাথায় রেখেই তৈরি। পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও জৈব চাষের সঙ্গেও মানানসই এই বীজগুলি।

খাদ্যঘাটতির দেশ থেকে আজ ভারত যে বিশ্ববাজারে কৃষিপণ্যের অন্যতম বড় জোগানদাতা হয়ে উঠেছে, তা উল্লেখ করে চৌহান বলেন, উচ্চ ফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল বীজের জোরেই দেশে এক নতুন কৃষিবিপ্লবের সূচনা হয়েছে। এই সাফল্যের নেপথ্যে আইসিএআর-এর সর্বভারতীয় প্রকল্প, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি বীজ সংস্থাগুলির যৌথ প্রচেষ্টার কথা বিশেষ ভাবে তুলে ধরেন তিনি।

১৯৬৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কেন্দ্র সরকার মোট ৭,২০৫টি উচ্চফলনশীল শস্যদানাকে অনুমোদন দিয়েছে। এই তালিকায় ধান, গম, ভুট্টা, ডাল ও তৈলবীজ-সহ নানা ধরনের ফসল রয়েছে। রোববার নতুন করে ১৮৪টি শস্যদানার অনুমোদনের ঘোষণা করেন শিবরাজ। তিনি জানান, এই দানাগুলি উচ্চ ফলন দিতে সক্ষম, ফলে একদিকে যেমন কৃষকের আয় বাড়বে, তেমনই ফসলের গুণগত মানও উন্নত হবে।

নতুন অনুমোদিত ১৮৪টির মধ্যে ১২২টি খাদ্যশস্য, পাশাপাশি রয়েছে ৬টি ডালজাত ফসল ও ১৩টি তৈলবীজের শস্যদানা।

প্রায় পাঁচ বছর আগে নতুন কৃষি আইন চালু করে তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে কেন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে চলা কৃষক আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত সেই আইনগুলি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয় সরকার। গোটা পরিস্থিতি নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের জন্য যথেষ্ট অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল।

তবে রোববার এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দাবি করেন, সরকারের উদ্দেশ্য কখনওই কৃষকদের ক্ষতি করা নয়; বরং দেশের কৃষি ব্যবস্থাকে আধুনিক ও শক্তিশালী করে তোলাই ছিল কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।


```