
শেষ আপডেট: 10 May 2025 12:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার রাতভর পাকিস্তানি হামলার জবাবে ভারতীয় বিমানবাহিনী (Indian Airforce) পাকিস্তানের প্রায় পাঁচটি বিমানঘাঁটি ও জঙ্গি শিবির গুঁড়িয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানের (Pakistan) প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক, বিমান ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ভারতের প্রত্যাঘাতে। ভারত যে বিমানঘাঁটিগুলির (Airbase) ক্ষয়সাধন করে সেগুলি হল দুর্গশহর বলে খ্যাত রাওয়ালপিন্ডির (Rawalpindi) নুর খান, মুরিদের চকবাল এবং শোরকোটের রফিকি বিমানঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, ভারতের আক্রমণের মুখে পড়া পাক বিমানঘাঁটিগুলির রণকৌশলের দিক থেকে গুরুত্ব কী?
নুর খান বিমানঘাঁটি, রাওয়ালপিন্ডি
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে মাত্র ১০ কিমি দূরে নুর খান বিমানঘাঁটি। অর্থাৎ, ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে যে যুদ্ধ বাধলে রাজধানী শহরের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে তেরঙ্গা। বিশেষত নুর খান হল পাকিস্তানের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ঘাঁটি। এখান থেকে বিমানবাহিনীর অপারেশন ও ভিআইপি পরিবহণের উড়ান যাতায়াত করে। নুর খানের সাবেক নাম ছিল চকলালা বিমানঘাঁটি। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের যুদ্ধে এই বিমানঘাঁটির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।
এই ঘাঁটি থেকে আকাশ থেকে আকাশপথে ওড়ার সময় জ্বালানি ভরার সুবিধাযুক্ত বিমান উড়তে পারে। বিশেষত এই বিমানঘাঁটিতে পাক বাহিনীর পরিবহণ বিমানের হ্যাঙ্গার রয়েছে এবং পাঁচ থেকে ছটি অত্যাধুনিক পরিবহণ বিমানের স্কোয়াড্রন রয়েছে। এখানেই থাকে দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা এবং সেনা অফিসারদের যাতায়াতের বিমান। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর চকলালা কলেজ হল একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রতিষ্ঠান। যেখানে যুদ্ধ বৈমানিক তৈরির তালিম দেওয়া হয়। এখানে হামলা চালিয়ে ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানের সবথেকে সুরক্ষিত ঘাঁটিও নাগালে রয়েছে তাদের।
মুরিদ বিমানঘাঁটি, চকবাল
পাকিস্তানের চকবাল জেলায় অবস্থিত। মুরিদ ঘাঁটি হল পাকিস্তানের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ড্রোন অপারেশনের ঘাঁটি। গত দুদিন ধরে এখান থেকেই ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানি বাহিনী। এখানেও পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বেশ কয়েকটি স্কোয়াড্রন রয়েছে।
রফিকি বিমানঘাঁটি, শোরকোট
১৯৬৫ সালের যুদ্ধবীর স্কোয়াড্রন লিডার সরফরাজা আহমেদ রফিকির নামে এই বিমানঘাঁটির নামকরণ হয়েছিল। জেএফ-১৭ ও মিরাজ যুদ্ধবিমানের মূল ঘাঁটি এটি। এছাড়াও এখানে রসদ সরবরাহকারী হেলিকপ্টারও রয়েছে অনেক। সূত্রে জানা গিয়েছে, জেএফ-১৭ চলতি উত্তেজনার পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সবথেকে বেশি ব্যবহার করেছে। মধ্য পাঞ্জাবের অবস্থানের জন্য এখান থেকে দ্রুত জেট বিমান উড়ে সীমান্তের কাছে চলে আসতে পারে।