
গৌতম আদানি
শেষ আপডেট: 29 November 2024 20:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গৌতম আদানির বিরুদ্ধে ঘুষ ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। আর সেই প্রেক্ষিতেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আমেরিকায়। এমনই খবরে তোলপাড়। কিন্তু অবশেষে এই ইস্যুতে মুখ খুলে নয়াদিল্লি জানাল, আদানির ব্যাপারে আমেরিকা এখনও যোগাযোগ করেনি।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, আদানি সম্পর্কিত আইনি প্রক্রিয়ায় আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নেই। এই বিষয়ে এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে যোগাযোগও করা হয়নি, অনুরোধও জানানো হয়নি। যদিও নয়াদিল্লির স্পষ্ট বক্তব্য, যোগাযোগ করা হলে, আইনি এবং পদ্ধতিগত পদক্ষেপই অনুসরণ করা হবে। প্রসঙ্গত, আদানির বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, আমেরিকার বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা এবং কর্মকর্তাদের ঘুষের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
মোট ২ হাজার ২৩৭ কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আদানির বিরুদ্ধে। শুধু তাঁর বিরুদ্ধে নয়, সাগর আদানি এবং কোম্পানির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ বিনীত জৈন সহ সাত জনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেডের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশি দুর্নীতি পরায়ণ আইনে (FCPA) কোনও অভিযোগ নেই।
তাঁরা বলছে, কোম্পানির তিন ডিরেক্টরকে মূলত সিকিউরিটিজ প্রতারণা চক্রান্তের অভিযোগ রয়েছে, তাও কোনওটিই প্রমাণিত হয়নি। মার্কিন বিচার বিভাগ এবং দায়রা অভিযোগে সেদেশের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন যে অভিযোগ এনেছে, তাতে ঘুষ অথবা দুর্নীতির কোনও অভিযোগ আনা হয়নি।
আদানি ও তাঁর সহযোগী ছয়জন বর্তমানে ভারতে আছেন। আমেরিকায় না গিয়ে তাঁরা কি গ্রেফতারি এড়াতে পারবেন? সরকারি সূত্র বলছে, গ্রেফতারি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করার সম্ভাবনা কম। আদালতের নির্দেশের জারির পর মার্কিন পুলিশকে লম্বা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কিন্তু একপর্যায়ে মার্কিন প্রশাসন আদালত মারফত ভারত সরকারকে বলতে পারে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তাদের হাতে তুলে দিতে। ২০১০ সালের ভারত-মার্কিন প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হতে পারে।