ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ আবহে কার্যত পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে গেছিল জম্মু-কাশ্মীর। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় সবই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 12 May 2025 18:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ আবহে কার্যত পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে গেছিল জম্মু-কাশ্মীর। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় সবই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল স্থানীয় প্রশাসনের তরফে। তবে গত শনিবারের পর ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে ভূ-স্বর্গ। আংশিকভাবে স্কুল খোলার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
কাশ্মীরের ডিভিশনাল কমিশনার জানিয়েছেন, উপত্যকার বর্তমান পরিস্থিতি আগের থেকে ভাল। সামগ্রিক পরিবেশের পরিবর্তন হচ্ছে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে বেশিরভাগ অঞ্চলের স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হবে। তবে খোলা হবে না সীমান্তবর্তী অঞ্চলের স্কুল-কলেজ। অর্থাৎ কুপওয়ারা, বারামুল্লা এবং বান্দিপোরায় কোনও স্কুল-কলেজ খুলবে না। এদিকে পাঞ্জাব-পাকিস্তান সীমান্তের অমৃতসর, পাঠানকোট, ফিরোজপুর, গুরদাসপুরের মতো এলাকায় কবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে তা জানান হয়নি।
যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে দেশের একাধিক বিমানবন্দরও বন্ধ রাখা হয়েছিল। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বিমানবন্দরগুলি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। কিন্তু নতুন করে কোনও উত্তেজনা না ছড়ানোয় নির্ধারিত সময়ের আগেই খুলে দেওয়া হয়েছে শ্রীনগর, চণ্ডীগড় এবং অমৃতসর-সহ ৩২টি বিমানবন্দর।
ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর বৃহস্পতিবার ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টা করে পাকিস্তান। এর পরেই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জম্মু-কাশ্মীরের স্কুল-কলেজ এবং ভারতের ৩২টি বিমানবন্দর ১০ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার।
শনিবার বিকেল পাঁচটা যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় ভারত-পাকিস্তানে। ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই একাধিকবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান। ড্রোন ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায় জম্মু ও কাশ্মীর, পাঞ্জাব, রাজস্থানে। তিন রাজ্যের অধিকাংশ শহরে ব্ল্যাক আউট করা হয়। তবে রবিবার সকাল থেকে কোনও নতুন অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।