Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বর্ষাদেবীর জুনের রানরেটে ঘাটতি, জুলাইয়ে এদিক-ওদিক হলে মূল্যবৃদ্ধির আগুনে জ্বলবে হেঁসেল

এখন দেখার দেশের বুকে প্রকৃতির পরিশোধ চলে, নাকি...

বর্ষাদেবীর জুনের রানরেটে ঘাটতি, জুলাইয়ে এদিক-ওদিক হলে মূল্যবৃদ্ধির আগুনে জ্বলবে হেঁসেল

শস্যদেবী সোনার ফসল হাতে নিয়ে স্বয়ং অবতীর্ণ হবেন জমিতে।

শেষ আপডেট: 3 July 2024 17:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভালো রানরেটে এ বছর বর্ষা প্রথম ইনিংস শুরু করলেও জুনের শেষে এসে বৃষ্টির ঘাটতি ১১ শতাংশে পৌঁছায়। তীব্র গরমের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের মুখে দাঁত ফোটাতে পারছিলেন না বরুণদেব। এনিয়ে পরপর তিন বছর জুন মাসে স্বাভাবিকের থেকে কম এবং ঘাটতি বাজেট পেশ করল বর্ষা। তবে জুলাইয়ে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী যদি সঠিক মাত্রায় বৃষ্টি হয় তাহলে খরিফ শস্যের উৎপাদনে সুজলা-সুফলা শস্যশ্যামলা হবে দেশ।

ভারতে বর্ষা বা মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে কেরলের রাস্তা ধরে। জুনে দক্ষিণ উপকূলবর্তী রাজ্যগুলিতে বেশ ভালো বৃষ্টিপাত হয়েছে। তুলনায় উত্তরে খুবই কম বৃষ্টিপাত হয়। সুখবর হল দক্ষিণে ১৪ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে গত মাসে। যদিও কৃষিপ্রধান রাজ্য কেরলে ২৫ শতাংশ এবং কর্নাটকে ১৪ শতাংশ কম বৃষ্টি পড়েছে।

ফলে আগামী তিন মাস বৃষ্টিপাতের উপর নির্ভর করছে দেশের ফসল উৎপাদনের ভাগ্য। জুনে গুজরাতে সবথেকে বেশি বৃষ্টির ঘাটতি ছিল ৪২ শতাংশ। তারপরেই পূর্ব মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তীসগড়ে ২৮ শতাংশ। সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ এবং মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ এলাকায় ১৬ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি ছিল।

এইসব এলাকা রেড়ি, গোখাদ্য, তুলো, সয়াবিন, চিনেবাদাম, সবুজ মুগ এবং অড়হর ডাল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। যদি জুলাইয়ের গোড়ার দিকে ঘাটতি কমিয়ে বৃষ্টি হতে থাকে, তাহলে উৎপাদনে কোনও প্রভাব পড়বে না। খরিফ শস্য বোনার কাজেও ব্যাঘাত ঘটবে না। বর্ষাকালীন সবজির মধ্যে আরও রয়েছে যেমন- বিনস, বেগুন, মুলো, শশা প্রভৃতি। এছাড়াও পেঁয়াজ ও টম্যাটোও এই সময়ে অনেকটা উৎপাদিত হয়।

বছরখানেক ধরে দেশের বাজারে সবজি বা তরিতরকারির দাম আকাশ ছোঁয়ারও বাইরে চলে গিয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসে সবজির মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছিল ২৭.৩ শতাংশ। জুলাই মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টি হলে সবজির দাম সামান্য হলেও নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ বাজার মধ্যবিত্তের নাগালে চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। যা উৎসবের মরশুমের পক্ষে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক হবে।

কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্যমাত্রা খরিফ মরশুমে ফসলের উৎপাদন ৩৪০ মিলিয়ন টনে নিয়ে যাওয়ার। গত কৃষিমরশুমের তুলনায় যা ৩.৪ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে খরিফ শস্যের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১৫৯.৯৭ মিলিয়ন টন। ফলে এখন সবকিছুই নির্ভর করছে জুলাইয়ের বৃষ্টিপাতের উপর। মৌসুমি বায়ু দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় ৬ দিন আগেই ঢুকে গিয়েছে। সেটাই আশার বিষয়। কিন্তু, বিভিন্ন রাজ্যে এখন থেকেই যেভাবে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি চলছে তাতে বন্যার চোখরাঙানিও উপেক্ষা করা যাচ্ছে না। অসম সহ উত্তর-পূর্ব ভারতে এই মুহূর্তে বন্যা শুরু হয়েছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ এবং পশ্চিম ভারতেরও সর্বত্র বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। এখন দেখার দেশের বুকে প্রকৃতির পরিশোধ চলে, নাকি শস্যদেবী সোনার ফসল হাতে নিয়ে স্বয়ং অবতীর্ণ হবেন জমিতে।


```