Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রী

দুই সন্তানকে খুন করে হায়দরাবাদে আত্মঘাতী বাবা-মা! মনে করাচ্ছে কসবা কাণ্ডকে

হায়দরাবাদের হাবসিগুড়ার বাসিন্দা ছিলেন ওই দম্পতি। যুবকের বয়স ৪৪ এবং মহিলার বয়স ৩৫ বছর।

দুই সন্তানকে খুন করে হায়দরাবাদে আত্মঘাতী বাবা-মা! মনে করাচ্ছে কসবা কাণ্ডকে

প্রতীকী ছবি

শেষ আপডেট: 11 March 2025 13:00

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার কসবায় (Kasba Case) সন্তানকে খুন করে বাবা-মা আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনায় হইচই সৃষ্টি হয়। এবার সেই একই ঘটনা মনে করাল হায়দরাবাদ (Hyderabad)। দুই সন্তানকে খুন করে আত্মহত্যা করলেন বাবা-মা। বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে সুইসাইড নোটও (Suicide Note)। সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটেছে। 

হায়দরাবাদের হাবসিগুড়ার বাসিন্দা ছিলেন ওই দম্পতি। যুবকের বয়স ৪৪ এবং মহিলার বয়স ৩৫ বছর। বাড়ির দুটি আলাদা ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অন্য একটি ঘরের বিছানায় দুই সন্তানের দেহ শোয়ানো ছিল। তাদের শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান পুলিশ। খুনের পরই স্বামী-স্ত্রী একে একে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। 

কেন এমন ঘটনা ঘটালেন দুজন? পুলিশ ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। তা থেকে জানতে পেরেছে, তাঁদের অর্থনৈতিক কিছু সমস্যা ছিল, একই সঙ্গে শারীরিক সমস্যার কথাও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। অনুমান, জটিল কোনও রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন পরিবারের কেউ। তার খরচের জন্য হিমশিম খাচ্ছিলেন সকলে। এই কারণেই পরিবার নিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। ইতিমধ্যে পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। অন্য কোনও সমস্যা ছিল কিনা, তা জানার চেষ্টা করছেন তাঁরা। 

প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, দম্পতি প্রথমে মেহবুবনগর জেলায় থাকতেন এবং বছরখানেক আগেই হাবসিগুড়ায় শিফট করেছিলেন। যুবক একটি বেসরকারি কলেজে শিক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন। কিন্তু পুলিশ জেনেছে, বিগত ৬ মাস ধরে তিনি বেকার ছিলেন। এদিকে স্ত্রীরও কোনও চাকরি ছিল না। অনুমান করা হচ্ছে, মানসিক অবসাদ হয়তো এখান থেকেই শুরু হয়েছিল। 


```