স্মরণকালের মধ্যে দেশের কোনও বিধানসভায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে কেউ মনে করতে পারছেন না। বিধানসভায় মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে কমবেশি সব রাজ্যেই স্পিকাররা নানা সময়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিন্তু ক্ষোভের মুখে স্পিকারের সভা ত্যাগের নজির স্মরণকালের মধ্যে নেই।

শেষ আপডেট: 16 March 2026 15:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নজিরবিহীন, অভাবনীয় ঘটনা ঘটল কর্ণাটক বিধানসভায়। স্পিকার ইউটি খাদড় নিজেই সভা থেকে ওয়াকআউট করেছেন। পরে অনির্দিষ্টকালের জন্য সভা মুলতবি ঘোষণা করেন তিনি।
স্মরণকালের মধ্যে দেশের কোনও বিধানসভায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে কেউ মনে করতে পারছেন না। বিধানসভায় মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে কমবেশি সব রাজ্যেই স্পিকাররা নানা সময়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিন্তু ক্ষোভের মুখে স্পিকারের সভা ত্যাগের নজির স্মরণকালের মধ্যে নেই।
স্পিকারের অভিযোগ তিনি সাম্প্রতিক অতীতে চারবার মন্ত্রীদের সতর্ক করেছেন। বলেছেন বিধানসভায় উত্থাপিত প্রশ্নের লিখিত এবং মৌখিক জবাব তাঁদের দিতে হবে। সোমবার বিধানসভার অধিবেশন বসলে ফের একই অভিজ্ঞতা হয় স্পিকারের। একাধিক মন্ত্রী বিধায়কদের আগাম প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি। বলেছেন এই প্রশ্নের জবাব দিতে সময় প্রয়োজন। এতেই ক্ষুব্ধ স্পিকার প্রশ্ন তোলেন, কেন মন্ত্রীরা এইভাবে সভাকে উপেক্ষা করছেন?
স্পিকারের সমর্থনে উঠে দাঁড়ান বিরোধী দলনেতা বিজেপির আর অশোকা। তিনিও বলেন মাননীয় স্পিকার সভার মর্যাদা রক্ষায় বারেবারে মন্ত্রীদের সতর্ক করছেন। কিন্তু সরকার দায়সাড়া মনোভাব নিয়ে চলছে। মন্ত্রীরা বিধায়কদের উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন না। সরকারের ভাবখানা এমন যে মন্ত্রীরা প্রশ্নের জবাব দিলে দেবেন, না দিলে না।
সোমবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বর ৮৪টি প্রশ্নের লিখিত জবাব পেশ করেন। যদিও তার মোট ২৩০টি প্রশ্নের জবাব দেওয়ার কথা ছিল। বিগত কয়েক বছর ধরে বিধায়করা মন্ত্রীকে প্রশ্ন করে জবাব পাননি। সোমবার বকেয়া সমস্ত প্রশ্নের জবাব পেশ করার কথা ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। জবাব না পেয়ে বিরোধীদলের বিধায়করা স্পিকারকে চেপে ধরেন। স
স্পিকার বিরোধীদের বক্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলেন, এইভাবে সভা পরিচালনা করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এই বলে তিনি বেরিয়ে যাওয়ার আগে সভা অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতুবি ঘোষণা করেন।