
শেষ আপডেট: 9 February 2024 16:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের জাঠ অধ্যুষিত এলাকায় রাষ্ট্রীয় লোক দলের এখনও যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি যে আরএলডি-র সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার চেষ্টা করছে, তা নিয়ে গত কদিন ধরে লেখালেখি চলছিল। এরই মধ্যে শুক্রবার রাষ্ট্রপতির সচিবালয় থেকে ঘোষণা করা হয় যে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংকে মরণোত্তর ‘ভারত রত্ন’ দেওয়া হবে। রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের পর টুইট করে চরণ সিংহের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এর পর কী ঘটতে পারে, সেই দেওয়াল লিখন পরিষ্কারই ছিল। চরণ সিংহের ছেলে তথা আরএলডি নেতা জয়ন্ত চৌধুরী বলেন, “এর পর আর বিজেপিকে না বলার মুখ আছে কি! আগের সব সরকার যা করতে পারেনি, তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন করে দেখালেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার কতজ্ঞতা জানাতে চাই”।
পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের জাঠরা অনেক দিন ধরে আর্থ সামাজিক ভাবে পিছিয়ে ছিল। চৌধুরী চরণ সিং ছিলেন জাঠদের অবিসংবাদিত নেতা। জয়ন্ত এদিন বলেন, যাঁরা মূলস্রোতে নেই, যাঁরা অনগ্রসর, তাঁরা আজ উদ্বুদ্ধ হবেন। কারণ তাঁরা দেখছেন, তাঁদের মধ্যে থেকেই একজন ভারত রত্ন সম্মান পেতে চলেছেন। হোক না তা মরণোত্তর।
এর আগে উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলছিল আরএলডি। সেই সমঝোতা যে এবার ভেস্তে গেল তা শুধু, ইন্ডিয়া জোটের জন্যও এ বড় আঘাত। কারণ জয়ন্ত ইন্ডিয়া জোটের সদস্য ছিলেন।
এ ব্যাপারে এদিন সপা নেতা অখিলেশ যাদব বলেন, “বিজেপি জানে কখন কাকে নিতে হবে। কীভাবে চিটিং করতে হবে। নইলে এমনি এমনি বিজেপি সবচেয়ে বড় দল হয়ে গেল? এভাবেই তো হয়েছে।”