পুলিশের মালখানা থেকেই লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা, সোনার গয়না চুরির অভিযোগ। এলিতেলি কোনও চোর ডাকাত নন তিনি, খোদ দিল্লি পুলিশেরই হেড কনস্টেবল (Head Constable)।
.jpeg.webp)
গ্রেফতার হেড কনস্টেবল
শেষ আপডেট: 2 June 2025 17:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলিশ কর্মীদের (Delhi Police) যাওয়া আসা লেগেই থাকে। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে থাকে গোটা চত্বর। আর সেখান থেকেই লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা, সোনার গয়না চুরির অভিযোগ। এলিতেলি কোনও চোর ডাকাত নন তিনি, খোদ দিল্লি পুলিশেরই হেড কনস্টেবল (Head Constable) খুরশিদের (Khurshid) বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগ। ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার (Arrest) করেছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে চোরাই জিনিসপত্র।
লোধি কলোনিতে (Lodhi Colony) রয়েছে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেলের স্টোর হাউস বা মালখানা। সেখানে যাবতীয় চুরি যাওয়া জিনিসপত্র, বাজেয়াপ্ত টাকা, সোনা-দানা রাখা থাকে। পোশাকই ভাষায় যাকে বলে ‘কেস প্রপার্টি’ (Case Property)। যতদিন না সেগুলি আদালতে পেশ করা হয়, ততদিন বাজেয়াপ্ত জিনিসপত্র এই মালখানাতেই থাকে। আর এই মলখানাতেই পোস্টিং ছিল খুরশিদের।
সম্প্রতি অভিযুক্ত হেড কনস্টেবল খুরশিদকে বদলি করা হয় পূর্ব দিল্লিতে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, স্টোর হাউসে পোস্টিং থাকাকালীনই চুরির পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, ক’দিন আগে স্টোর হাউসে যান খুরশিদ। স্বাভাবিকভাবেই হেড কনস্টেবলকে দেখে কারও কোনও সন্দেহ হয়নি। সেই অছিলায় মালখানায় ঢুকে নগদ ৫১ লক্ষ টাকা, গয়নাগাঁটি চুরি করেন। তারপর টুঁ শব্দটি না করে বেরিয়ে যান।
তখনও কেউ কোনও সন্দেহ করেননি। ঝামেলা পাকে জিনিসপত্র অডিটের সময়। হিসেব না মিলতেই এফআইআর দায়ের হয়। তদন্তে খুরশিদের কীর্তি ফাঁস হয়। এরপরই গ্রেফতার করা হয় দিল্লির হেড কনস্টেবলকে।