ভাইরাল বিজ্ঞাপন থেকে নেওয়া ছবি
শেষ আপডেট: 21 February 2025 16:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অপ্রয়োজনীয় হর্ন (Unnecessary Honking) বাজানোর সমস্যা থেকে পাকাপাকিভাবে মুক্তি পেতে মুশকিল আসান পুলিশের। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বেরলে নিজেকে বাঁচাতে প্রয়োজনে মানুষ স্টিয়ারিং লাগোয়া হর্নের বোতামে চাপ দিলেও অপ্রয়োজনে তার ব্যবহার আরও বেশি। সময় হোক বা অসময়, জ্যামে পড়ুন বা গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হলে দিকবিদিক জ্ঞান হারিয়ে হর্নকেই বড় আপনার করে নেন অনেকেই।
তবে সম্প্রতি গুরুগ্রাম পুলিশ এমন এক অভিনব পন্থা নিয়েছে যা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সেখানকার ট্রাফিক পুলিশ একটি মজার উপায় খুঁজে পেয়েছে। কৌন বনেগা ক্রোড়পতি-র (KBC) কুইজ শোয়ের কথা মাথায় রেখে বানান হয়েছে একটি পোস্টার। যা একটি অটোরিকশার পিছনে লাগিয়ে দেওয়ার পর থেকেই ভাইরাল (Viral) হয়েছে।
বিজ্ঞাপনটিতে মূলত সাধারণ মানুষের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, অপ্রয়োজনীয়ভাবে হর্ন বাজালে কী হয়? এর সম্ভাব্য চারটি বিকল্প অপশনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন-
১.গাড়িটি উড়তে শুরু করে
২. সিগন্যাল সবুজ হয়ে যায়
৩. ট্র্যাফিক নিমেশে অদৃশ্য হয়ে যায়
৪. শব্দ দূষণ তৈরি হয়।
পোস্টটি লিঙ্কডইনে শেয়ার করেছেন লাক্সেল অ্যান্ড ফ্লেমিঙ্গোর বাসিন্দা রিচা অরোরা নামে এক মহিলা। তাঁর ক্যাপশনে লেখা ছিল, "এই কপিরাইটার আমাদের সকলকে রীতিমতো রোস্ট করেছেন। গুরুগ্রাম ট্রাফিক পুলিশের এই কপিরাইটারকে প্রশংসা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, একেবারে টু দ্য পয়েন্ট, অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বার্তা কীভাবে রোস্টিংয়ের মধ্যে দিয়ে মানুষের মধ্যে প্রবেশ করানো যায় এটাই তার প্রকৃত উদাহরণ।
পোস্টটি ভাইরাল হতেই কমেন্টের বন্যা বইছে লিঙ্কডইনে। একজন মন্তব্য করেন, "গুরুগ্রামে থাকলে আপনি হিন্দি বা হরায়নভি কোনওটাই বলতে পারবেন না। ব্যঙ্গই একমাত্র ভাষা।"
আরেকজন লিখেছেন, "আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এই ধরণের হাস্যরসের প্রয়োজন!"
এই রোস্ট যদি সত্যি কফি হতো, তাহলে এটি অবশ্যই কড়া ডবল-শট এসপ্রেসো হত এবং আমাদের সবাইকে অপরাধ সম্পর্কে জাগ্রত করত, আরেকজন ব্যবহারকারী লিখেছেন।
এর আগে, দিল্লি পুলিশও ট্র্যাফিক নিয়ম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে বিশেষ পন্থা অবলম্বন করেছিলেন। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। সেখানে লেখা ছিল, তুমি কারোর পুকি (পুকি হল ভালোবাসার একটি শব্দ যার অর্থ মধু বা সুইটি)। সব অজুহাত ভুলে যাও। যদি তুমি কাউকে দুঃখ দিতে না চাও, তাহলে মাথায় হেলমেট পরো।