রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের সময় সেই কাজে যুক্ত সরকারি কর্মচারীরা নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকবেন। রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে লেখা এক চিঠিতে মঙ্গলবার এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শেষ আপডেট: 5 August 2025 17:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের সময় সেই কাজে যুক্ত সরকারি কর্মচারীরা নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকবেন। রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে লেখা এক চিঠিতে মঙ্গলবার এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বিতর্কে রাজ্য প্রশাসনের তরফে সরকারি কর্মচারীদের অভয় দিয়ে বলা হয়েছে ওই কাজের সময় সরকারি কর্মচারীরা কমিশন নয়, রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক এক্তিয়ারের অধীনে থাকবেন।


মঙ্গলবার কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্র মুখ্যসচিবকে লেখা চিঠিতে।ভিন্ন প্রেক্ষিতে ভোটার তালিকা সংশোধন সময়কালে সরকারি কর্মচারীদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আইনের বিধান জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক থেকে জেলা নির্বাচন আধিকারিক, ভোটার তালিকা সংশোধন আধিকারিক ও সহকারী ভোটার তালিকা সংশোধন আধিকারিকরা তালিকা সংশোধনের কাজের সময়ও কমিশনে ডেপুটেশনে কর্মরত থাকেন।
ওই চিঠিতেই ৩২ নম্বর ধারার উল্লেখ করে কমিশনের সচিব মুখ্য সচিবকে লিখেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনে কোনও ধরনের কারচুপি, গাফিলতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিন মাস থেকে দু বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের।
ওই চিঠিতেই কমিশনেরন সচিব সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা উল্লেখ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কর্মরত ডব্লুবিসিএস অফিসার দেবোত্তম দত্ত এবং তথাগত মণ্ডল ও পূর্ব মেদিনীপুরের ডব্লুবিসিএস অফিসার বিপ্লব সরকার ও সুদীপ্ত দাস নামে একজন পঞ্চায়েত অ্যাকাউন্টস অফিসারকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করারও নির্দেশ দিয়েছে। প্রথম দুজনের বারুইপুর পূর্ব এবং পরের দুজনের বিরুদ্ধে ময়না বিধানসভা আসনে ভোটার তালিকা সংশোধনে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। কমিশনের সচিব চিঠিতে লিখেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের সুপারিশের ভিত্তিতে তারা এই পদক্ষেপ করেছে।