কয়েক মাস আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় একটি বিয়ের কার্ড। সেখানেই এক পাশে ছাপানো ছিল রাহুল গান্ধীর ছবি। সেই সময়ই জল্পনা তৈরি হয় যে তিনি বিয়ে করছেন!

রাহুল গান্ধী
শেষ আপডেট: 20 October 2025 18:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীপাবলির (Diwali 2025) আনন্দে দিল্লির ঐতিহাসিক ঘণ্টেওয়ালা মিষ্টির দোকানে (Ghantewala Sweet Shop) হাজির হয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ (Congress) রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সেখানেই ঘটে এক মজার ঘটনা। দোকানের মালিক তাঁকে বিয়ে করার পরামর্শ দেন।
ঘণ্টেওয়ালার মালিক সুশান্ত জৈনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাহুল গান্ধী। তাঁকে দেখে তিনি বলেন, “সারা দেশ বলছে উনি দেশের সবচেয়ে যোগ্য ব্যাচেলর। আমরা অপেক্ষা করছি উনি বিয়ে করুন, যাতে তাঁর বিয়ের মিষ্টির অর্ডারটাও আমরা পাই।”
এক সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুশান্ত জৈন বলেন, “রাহুল তাঁর বাড়ি, বন্ধু ও আত্মীয়দের জন্য মিষ্টি কিনতে এসেছিলেন। আমি বললাম - স্যার, এটা তো আপনারই দোকান। তিনি বলেন, নিজেই মিষ্টি বানিয়ে স্বাদ নিতে চান।” জৈনের কথায়, “ওঁর বাবা ইমারতির খুব ভক্ত ছিলেন। তাই আমি বলেছিলাম, ‘স্যার, এটা বানিয়ে দেখুন।’ উনি ইমারতি আর বেসনের লাড্ডু দুটোই নিজে বানালেন। দুটোই ওনার খুব পছন্দ।”
এরপর হাসতে হাসতে দোকানদার বলেন, “আমি বললাম, রাহুল, আপনি বিয়ে করুন, আমরা আপনার বিয়ের মিষ্টির দায়িত্ব নিতে চাই।” এদিকে, দীপাবলির দিনে নিজের অভিজ্ঞতা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নেন রাহুল গান্ধীও।
पुरानी दिल्ली की मशहूर और ऐतिहासिक घंटेवाला मिठाइयों की दुकान पर इमरती और बेसन के लड्डू बनाने में हाथ आज़माया।
सदियों पुरानी इस प्रतिष्ठित दुकान की मिठास आज भी वही है - ख़ालिस, पारंपरिक और दिल को छू लेने वाली।
दीपावली की असली मिठास सिर्फ़ थाली में नहीं, बल्कि रिश्तों और समाज… pic.twitter.com/bVWwa2aetJ— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) October 20, 2025
সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “পুরনো দিল্লির ঐতিহাসিক ঘণ্টেওয়ালা মিষ্টির দোকানে ইমারতি আর বেসনের লাড্ডু বানিয়ে দেখলাম। শতাব্দীপ্রাচীন এই দোকানের মিষ্টতা আজও অমলিন — খাঁটি, ঐতিহ্যবাহী ও হৃদয়স্পর্শী। দীপাবলির আসল মিষ্টতা শুধু থালায় নয়, সম্পর্ক আর সমাজের বন্ধনে।”
প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় একটি বিয়ের কার্ড। সেখানেই এক পাশে ছাপানো ছিল রাহুল গান্ধীর ছবি। সেই সময়ই জল্পনা তৈরি হয় যে তিনি বিয়ে করছেন! তবে জানা যায়, কার্ডটি ছাপিয়েছিলেন মধ্য প্রদেশ যুব কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক যোগেশ দন্ডোটিয়া।
তাঁর যুক্তি ছিল, ভীমরাও আম্বেদকর সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে দলিতদের সমাজে সমান মর্যাদা দিয়েছিলেন। আর আজকের সময়ে রাহুল গান্ধী সংবিধান রক্ষার জন্য লড়াই করছেন। অতএব, বাবা সাহেব যেমন দলিতদের ঈশ্বর, ঠিক তেমনই রাহুল গান্ধীও বাবা সাহেবের মতো ঈশ্বর। সেই কারণেই বাবা সাহেবের সঙ্গে তাঁর ছবি ছাপিয়েছিলেন।