Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

ষষ্ঠীর সকালে দারুণ খবর, সাজছে গগনযান, হুশ করে উড়ে যাবে এই পুজোতেই

রকেটের জ্বালানি পরীক্ষা চলছে। লঞ্চ প্যাডে সেজেগুজে বসেছে মহাকাশযান। সব ঠিক থাকলে এই পুজোতেই মহাকাশে উড়ে যাবে গগনযান।

ষষ্ঠীর সকালে দারুণ খবর, সাজছে গগনযান, হুশ করে উড়ে যাবে এই পুজোতেই

শেষ আপডেট: 20 October 2023 12:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চন্দ্রযানের সাফল্যের পরে দারুণ খবর দিল ইসরো। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পরেই ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথ ঘোষণা করেছেন, গগনযানের টেস্ট-ড্রাইভ হতে চলেছে। রকেটের জ্বালানি পরীক্ষা চলছে। লঞ্চ প্যাডে সেজেগুজে বসেছে মহাকাশযান। সব ঠিক থাকলে এই পুজোতেই মহাকাশে উড়ে যাবে গগনযান। তবে এখনই মানুষ নিয়ে উড়বে না রকেট। আগে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হবে। সেটা সফল হলেই মানুষ নিয়ে মহাকাশে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হবে।

ইঞ্জিন পরীক্ষা সফল

গতকাল গগনযান-এর রকেটের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করল ইসরো। ৭২০ সেকেন্ড বা ১২ মিনিটের জন্য। এত বেশি সময় ধরে গগনযান অভিযানের রকেটের ইঞ্জিনের পরীক্ষা ইসরো এর আগে করেনি। ইসরো জানিয়েছে, গগনযান অভিযানের জন্য যে যে লক্ষ্য নিয়ে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন বানানো হয়েছে এ বারের পরীক্ষায় সেই সবকটি লক্ষ্যেই নিখুঁত ভাবে পৌঁছনো সম্ভব হয়েছে। ইঞ্জিন খুব ভাল কাজ করেছে। এর পরেও রকেটের এই ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের আরও চারটি পরীক্ষা করা হবে। সব মিলিয়ে পরীক্ষা করা হবে মোট ১ হাজার ৮১০ সেকেন্ড বা ৩০ মিনিট ১৬ সেকেন্ড ধরে।

নতুন কী কী থাকছে গগনযানে

মহাকাশে কোনও দুর্ঘটনার হাত থেকে ভারতীয় মহাকাশচারীদের বাঁচাতে ক্রু এস্কেপ সিস্টেম (সিইএস)-এর উপর ভরসা রাখছে ইসরো। মহাকাশে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দেশে তৈরি এই উন্নত প্রযুক্তিই দেশের মহাকাশযাত্রীদের প্রাণ রক্ষা করবে বলে দাবি ইসরোর।

‘ক্রু এস্কেপ সিস্টেম’ একটি ফাইটার জেটের চালক আসনের মতো কাজ করে। যেখানে এক জন চালক যে কোনও পরিস্থিতিতে জেট থেকে ওই আসন সমেত বাইরে আসতে পারেন। আসনে থাকা প্যারাসুটের মাধ্যমে নিরাপদে মাটিতে অবতরণ করতে পারেন।

কী এই ক্রু এস্কেপ সিস্টেম?

ক্রু এস্কেপ সিস্টেমকে বলা হয় লঞ্চ অ্যাবোর্ট সিস্টেম (Launch Abort System)। জরুরি অবস্থায় অবতরণের জন্য গগনযানে এই বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে ইসরো। ঠিক যেমন এমার্জেন্সি এক্সিট থাকে এটিও তেমনই।

যদি যান্ত্রিক গোলযোগ হয় বা বিপদ আসে তাহলে নভশ্চরদের নিয়ে এই সিস্টেম মহাকাশযানের বাইরে বেরিয়ে আসবে। এরপরে রকেটে বিস্ফোরণ হলেও যাত্রীরা বেঁচে যাবেন। এর আগেও মহাকাশে মানুষ পাঠানোর প্রক্রিয়ায় বড় বিপদ এসেছিল। মৃত্যু হয়েছিল মহাকাশচারীদের। এবার সেই বিপদ এড়াতেই এমন ব্যবস্থা রেখেছে ইসরো।

ক্রু এস্কেপ সিস্টেম (CES) ছোটোখাটো রকেটের মতো যেটি গগনযানের ভেতরেই থাকবে। এটি ১৫.৫ মিটার লম্বা এবং এর সামনের অংশে থাকবে তরল জ্বালানি। এর সঙ্গে থাকবে পাঁচরকম মোটর। যদি কোনওকারণে গগনযান রকেটের কোনও ত্রুটি হয়, তাহলে এই রকেটের মতো অংশটা বিচ্ছিন্ন হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসবে। তারপর নিরাপদেই নেমে আসবে পৃথিবীতে।

 গগনযানের যাত্রা হবে তিনটি পর্যায়ে। দু’টো আনম্যানড-মিশন এবং একটা ম্যানড-মিশন। প্রথম ‘ম্যানড মিশন’ মহাকাশবিজ্ঞানের ইতিহাসে মাইলস্টোন হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ।

পৃথিবীর কক্ষে পাক খেয়ে দেখেশুনে খবর আনবে গগনযান। কারণ পৃথিবীর সর্বনিম্ন কক্ষপথে একটা আস্ত বাড়ি বানানোর পরিকল্পনা আছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা তথা ইসরোর। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের মতো ভারতেরও নিজস্ব স্পেস স্টেশন তৈরি হবে মহাকাশে। তার প্রস্তুতি দীর্ঘ সময় ধরেই চলছে।

কোভিড মহামারী ও লকডাউনের কারণে গগনযান মিশন পিছিয়ে গেছে। ইসরোর স্পেস স্টেশন তৈরির পরিকল্পনাও থমকে গেছে। কিন্তু এবার জোরকদমে গগনযানকে মহাকাশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশন তৈরি হলে পৃথিবী থেকে যে নভশ্চররা মহাকাশে যাবেন তাঁরা এই স্পেস স্টেশনেই বিশ্রাম নেবেন। সেখান থেকেই রকেটে চেপে পাড়ি দেবেন চাঁদে বা অন্য গ্রহে। একদিকে যেমন জ্বালানীর সাশ্রয় হবে, তেমনি পৃথিবী থেকে এত বেশি রসদ বয়ে নিয়ে যেতে হবে না। স্পেশ স্টেশনে সব ব্যবস্থাই পাকা থাকবে।


```