Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার

নেসক্যাফে-ম্যাগি বিক্রি করতেন, দু’হাজার টাকা মাইনের কর্মচারী আজ ২০০ কোটির সফল ব্যবসায়ী

সঞ্জয় জৈন একসময় মাসে দু’হাজার টাকা মাইনের কর্মচারী ছিলেন। বুদ্ধি, মেধা, অধ্যবসায় ও অক্লান্ত পরিশ্রমই তাঁকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে গেছে।

 নেসক্যাফে-ম্যাগি বিক্রি করতেন, দু’হাজার টাকা মাইনের কর্মচারী আজ ২০০ কোটির সফল ব্যবসায়ী

শেষ আপডেট: 4 November 2023 16:18

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সঞ্জয় জৈনের কথা অনেকেই জানেন না। সেলফ্রস্ট ও এলানপ্রো কোম্পানির মালিক বললে হয়ত বুঝতে সুবিধা হবে। দেশে শুধু নয় বিদেশেও কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করে এই দুই সংস্থা। তিলে তিলে নিজের হাতে এই দুই কোম্পানি তৈরি করেছেন যিনি সেই সঞ্জয় জৈন একসময় মাসে দু’হাজার টাকা মাইনের কর্মচারী ছিলেন। বুদ্ধি, মেধা, অধ্যবসায় ও অক্লান্ত পরিশ্রমই তাঁকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে গেছে।

বিহারের ডালমিয়ানগরে ছোট্ট টাউনে জন্ম সঞ্জয়ের। বাবা বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করেছিলেন। ডালমিয়ানগরে রকস্টার ইন্ডাস্ট্রিজে কর্মরত ছিলেন তিনি। পরে বিহার স্টেট ফার্মাসিউটিক্যাল ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি থেকে একজিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে অবসর নেন। সঞ্জয় বিকমে স্নাতক। বাবার মতো উচ্চপদে চাকরি না করলেও শুরুটা নিজের যোগ্যতাতেই করেছিলেন। সেলসের চাকরি পান কলেজ পাশ করেই। সেটা ১৯৮৯ সাল। দোকানে দোকানে, স্কুলে ম্যাগি, নেসক্যাফে কফির সাপ্লাই দিতেন। মাসে মাইনে ছিল ২ হাজার টাকার মতো। ঘুরে ঘিরে কাজে খাটনিও ছিল। পরে তিনি ঠিক করেন নিজের ব্যবসা শুরু করবেন।

কয়েকজন কর্মী নিয়ে একটা ছোট সংস্থা খোলেন যার নাম সেলফ্রস্ট। রেফ্রিজারেটরের ব্যবসা করত এই কোম্পানি। প্লাগইন রেফ্রিজারেটর, চিলার্স, রিমোট ফ্রিজার ক্যাবিনেট বিক্রি হত এই কোম্পানিতে। ওই কোম্পানি লাভের মুখ দেখার পরে আরও একটি কোম্পানি খোলেন যার নাম এলানপ্রো। ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে পথ চলা শুরু হয় এলানপ্রোর।  এখন রেফ্রিজারেটর ইউনিটে এলানপ্রো বেশ নামী দামি সংস্থা। ইতালি, চিন, তুরস্কে সাপ্লাই হয় এই কোম্পানির প্রোডাক্ট। লাখ টাকা থেকে এখন কোম্পানির লাভের অঙ্ক কোটি ছাড়িয়েছে। ২০১৬ সালে ১০০ কোটি আয় করে এই কোম্পানি, ২০১৯ সালে গিয়ে লাভের অঙ্ক দাঁড়ায় ১৪৪ কোটি, আর এ বছর তাই ২২১ কোটিতে গিয়ে পৌঁছেছে। এলাপ্রোতে সাত হাজার টাকার মিনি ফ্রিজার থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকার সফ্ট ড্রিঙ্ক ফাউন্টেন মেশিন অবধি পাওয়া যায়।

সঞ্জয় জৈন বলেছেন, শৈশব কষ্ট করে কেটেছে। তিন ভাইবোন মিলে অভাবেই পড়াশোনা করেছেন। বাবার মৃত্যুর পর টানাটানির সংসারে সামান্য মাইনের চাকরিতেই ভাইবোনদের ভরণ পোষণ করেন সঞ্জয়। কিন্তু এখন বিত্তবৈভব তাঁর হাতের মুঠোয়। তবে ফেলে আসা দিনগুলো ভোলেননি তিনি। বলছেন, “আমরা তিনজন এখনও কাজ থেকে ফিরে একসঙ্গে বলে চা খাই, টিভি দেখি। সাধারণভাবে জীবন কাটানোর চেষ্টা করি। আরও পরিশ্রম করতে চাই আমরা। এই ব্যবসাকে আরও উন্নতির শিখরে নিয়ে যাব।”


```