ট্রাম্পের শুল্ক নীতি ওবামা ও বাইডেন আমলের বাণিজ্য সহযোগিতামূলক ধারা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সম্পর্ক কেমন করে এখানে এসে পৌঁছল, তা বোঝার জন্য সাম্প্রতিক ইতিহাস দেখা জরুরি।

গ্রাফিক্স: দিব্যেন্দু দাস
শেষ আপডেট: 11 August 2025 17:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২৫ সালের ১ অগস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (DOnald Trump) ভারতীয় আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেন। কয়েক দিনের মধ্যেই আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক টানাপোড়েন চরমে তোলেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের (US) অভিযোগ, ভারত রাশিয়ান তেল কিনতে থাকায়, তা “রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্র”কে শক্তি জোগাচ্ছে।
ভারতের বিদেশমন্ত্রক এই পদক্ষেপকে “অন্যায্য, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য” বলে আখ্যা দিলেও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনাও চালিয়ে যাবে।
ট্রাম্প নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে বলেন, “ট্যারিফ আমেরিকাকে আবার ধনী ও শক্তিশালী করছে। এক বছর আগে আমেরিকা মৃতপ্রায় ছিল, এখন এটি বিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল দেশ।” এই নীতি ওবামা ও বাইডেন আমলের বাণিজ্য সহযোগিতামূলক ধারা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সম্পর্ক কেমন করে এখানে এসে পৌঁছল, তা বোঝার জন্য সাম্প্রতিক ইতিহাস দেখা জরুরি।
ওবামা যুগ (Barack Obama) (২০০৯–২০১৭)
বারাক ওবামা ও মনমোহন সিং ২০১৩ সালে প্রতিশ্রুতি দেন, পরবর্তী দশক হবে রূপান্তরমূলক। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, নিরাপত্তা সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব হবে মূল লক্ষ্য। ২০০০ সালে দুই দেশের বাণিজ্য ছিল ১৯ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৪-তে ছাড়ায় ১০০ বিলিয়ন ডলার।
US-India CEO Forum, Commercial Dialogue, Trade Policy Forum (TPF), Bilateral Investment Treaty (BIT), এই সমস্ত প্ল্যাটফর্ম নীতিনির্ধারক ও শিল্পোদ্যোগীরা বাণিজ্য বৃদ্ধির রূপরেখা তৈরি করেন।
‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস’ (Ease of Doing Business) উদ্যোগে চুক্তি কার্যকর, দেউলিয়া আইন, সীমান্ত-বাণিজ্য ও নন-ট্যারিফ বাধা দূরীকরণে কাজ হয়। ইনোভেশন ফোরাম (Innovation Forum) ছোট ও মাঝারি উদ্যোগকে বিনিয়োগে উৎসাহ দেয়। সিলেক্ট ইউএসএ (SelectUSA) ও টাই (TiE)-এর মতো সংস্থা ভারতীয় উদ্যোগপতিদের মার্কিন বাজারে প্রসারে সহায়তা করে।
ওবামা আমলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি
ভারতের অবদান
বাইডেন যুগ (Joe Biden) (২০২১–২০২৪)
জো বাইডেন আমলে প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, এবং বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়।
বাইডেন আমলে অর্থনীতি
ভারতের অবদান
ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন (Donald Trump Returns): শুল্কযুদ্ধ ও অনিশ্চয়তা
দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বছরের পর বছর বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও সহযোগিতায় সমৃদ্ধ হয়েছে। কিন্তু বর্তমান শুল্ক-বিরোধ প্রমাণ করছে— সংলাপ ও সহযোগিতাই ভবিষ্যৎ সম্পর্কের স্থিতি নির্ধারণ করবে।