তদন্তে জানা গিয়েছে, সেনা অফিসারের ছদ্মবেশের জন্য সে স্থানীয় এক দোকান থেকে ইউনিফর্ম কিনেছিল।

অভিযুক্ত ডেলিভারি এজেন্ট
শেষ আপডেট: 27 October 2025 15:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খাবারে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালের (Safdarjung hospital) এক চিকিৎসককে ধর্ষণের অভিযোগ (Delhi doctor rape)। ইনস্টাগ্রামে (Instagram) যোগাযোগ হওয়ার পর নিজেকে সেনা অফিসার (fake army officer) বলে পরিচয় দিয়েছিল অভিযুক্ত। আদতে সে দিল্লির একটি ডেলিভারি সংস্থায় কাজ করত।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম আরভ, সে ছাতারপুর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, ইনস্টাগ্রামে চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ হয় আরভের। নিজেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট হিসেবে পরিচয় দিয়ে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে সে। কিছুদিনের মধ্যেই দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং হোয়াটসঅ্যাপে কথাবার্তা শুরু হয়।
আরভ এও দাবি করেছিল, সে জম্মু-কাশ্মীরে পোস্টেড। চিকিৎসককে বিশ্বাস জোগানোর জন্য নিজের সেনা ইউনিফর্ম পরা বেশ কিছু ছবিও পাঠায় সে।
চলতি মাসের গোড়ার দিকে আরভ জানায়, সে দিল্লিতে এসেছে এবং চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে চায়। এরপর মসজিদ মথ এলাকার ওই চিকিৎসকের বাড়িতে গিয়ে দেখা করে। কথার মাঝে খাবারে নেশার ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।
জ্ঞান ফিরে আসার পর চিকিৎসক বুঝতে পারেন এবং ১৬ অক্টোবর সফদরজং এনক্লেভ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে আরভকে খুঁজে বার করে পুলিশ, তারপর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
তদন্তে জানা গিয়েছে, সেনা অফিসারের ছদ্মবেশের জন্য সে স্থানীয় এক দোকান থেকে ইউনিফর্ম কিনেছিল।
গত কয়েক দিনের মধ্যেই এটা দ্বিতীয় ঘটনা যেখানে এক মহিলা চিকিৎসক যৌন নিগ্রহ বা হামলার শিকার হলেন।
মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলায় গত সপ্তাহে জেলা হাসপাতালের এক মহিলা চিকিৎসক আত্মহত্যা করেন। তিনি আত্মহত্যার আগে একাধিক নোটে অভিযোগ করেন যে স্থানীয় পুলিশ অফিসার, সাব-ইন্সপেক্টর গোপাল বাদানে গত পাঁচ মাস ধরে তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। অন্য এক ব্যক্তি, প্রশান্ত বানকার, তাঁকে মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বাদানেকে শনিবার গ্রেফতার করা হয়। তার আগেই প্রশান্তকে আটক করে পুলিশ।