ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনার তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তিনি মনে করেন, প্রাথমিক পদক্ষেপ যথেষ্ট দ্রুত ও সন্তোষজনক। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, এ ধরনের তদন্ত সাধারণত তিন মাসের মধ্যে শেষ হওয়া উচিত।

প্রফুল পটেল
শেষ আপডেট: 21 June 2025 12:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেদাবাদে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার (Ahmedabad Plane Crash) পরও ভারতের উড়ান পরিষেবা নিয়ে কোনও রকম আতঙ্ক বা সন্দেহের প্রয়োজন নেই! এমনটাই মনে করেন দেশের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী প্রফুল পটেল (Praful Patel)। তাঁর কথায়, আজই যদি তাঁকে বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারে (Air India Boeing 787-8) ওঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়, তিনি বিনা দ্বিধায় তাতে উঠতে রাজি হবেন।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে পটেল জানান, “বিমানযাত্রায় নিরাপত্তা কখনও একশোয় একশো, নয়তো শূন্য। এখানে ৯৯.৯ শতাংশ নিরাপদ বলে কিছু হয় না।” তাঁর মতে, ভারত সরকারের বিমান পরিষেবার কাঠামো যথেষ্ট মজবুত এবং এয়ার ইন্ডিয়ার প্রযুক্তিও ভরসাযোগ্য। প্রফুল পটেল আরও বলেন, “অতীতে এয়ার ইন্ডিয়ার একাধিক বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে তবে, প্রতিবারই তারা সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এবারের ক্ষেত্রেও আমি নিশ্চিত, তারা এই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে পারবে।”
এদিকে, ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনার তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তিনি মনে করেন, প্রাথমিক পদক্ষেপ যথেষ্ট দ্রুত ও সন্তোষজনক। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, এ ধরনের তদন্ত সাধারণত তিন মাসের মধ্যে শেষ হওয়া উচিত। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন, সব সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে সময় কিছুটা বাড়তেও পারে। বিপর্যস্ত বিমানের ক্ষতিগ্রস্ত ব্ল্যাক বক্স সম্পর্কেও আশাবাদী প্রফুল পটেল। তাঁর মতে, ভারতেই তা ডিকোড করার সামর্থ্য রয়েছে এয়ারপোর্ট অথোরিটির। তবে প্রয়োজনে তা আমেরিকায় পাঠালেও ক্ষতি নেই। আসল তথ্য সামনে আসা নিয়ে কথা।
ইতিমধ্যে অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, আমদাবাদে যেখানে বিমান ভেঙে পড়েছিল সেই ঘটনাস্থলের মূল উদ্ধার কাজ, প্রমাণ সংগ্রহ এবং তথ্য নথিবদ্ধকরণ শেষ হয়েছে। এখন তদন্ত রয়েছে বিশ্লেষণ পর্যায়ে। যে নথি বা তথ্য উদ্ধার হয়েছে তা খতিয়ে দেখেই দুর্ঘটনার আসল কারণ চিহ্নিত করার চেষ্টা হবে।
পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া বিমানের ধ্বংসাবশেষ দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে গুজরাত স্টেট অ্যাভিয়েশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার কোম্পানি লিমিটেড (GUJSAIL)-এর দফতরের পাশের জমিতে। ওই জমির মালিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ (AAI)। সেখানেই বাকি তদন্তের কাজ সম্পন্ন হবে।