Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

গোপনাঙ্গে ডাম্বল ঝুলিয়ে, শরীরে কম্পাস গেঁথে র‍্যাগিং! কেরলের মেডিক্যাল কলেজে ভয়ঙ্কর অভিযোগ

কেরলের কোট্টায়ামের একটি সরকারি নার্সিং কলেজে এমনই পৈশাচিক অত্যাচার করে র‍্যাগিং চলত নবাগত পড়ুয়াদের ওপর। গত বছরের নভেম্বর মাস থেকেই র‌্যাগিং শুরু হয়েছিল।

গোপনাঙ্গে ডাম্বল ঝুলিয়ে, শরীরে কম্পাস গেঁথে র‍্যাগিং! কেরলের মেডিক্যাল কলেজে ভয়ঙ্কর অভিযোগ

অভিযুক্ত পড়ুয়া

শেষ আপডেট: 12 February 2025 13:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পৈশাচিক। না তাও নয়, এর চেয়েও আরও ভয়ংকর। জামা খুলিয়ে যৌনাঙ্গ থেকে ডাম্বল বেঁধে ঝুলিয়ে দেওয়া হত ছাত্রদের। শুধু তাই নয়, জ্যামিতি বাক্স থেকে কম্পাস নিয়ে সারা শরীরে গেঁথে দিয়ে সেই অবস্থায় ব্যাপক মারধর। ভাবা যায়? সদ্য কলেজে ঢোকা পড়ুয়াদের ওপর এমনই পাশবিক অত্যাচার চলত। সহ্যের বাধ ভাঙতেই মুখ খুললেন পড়ুয়ারা। অবশেষে গ্রেফতার তৃতীয় বর্ষের ৫ পড়ুয়া।

কেরলের কোট্টায়ামের একটি সরকারি নার্সিং কলেজে এমনই পৈশাচিক অত্যাচার করে র‍্যাগিং চলত নবাগত পড়ুয়াদের ওপর। গত বছরের নভেম্বর মাস থেকেই র‌্যাগিং শুরু হয়েছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা উলঙ্গ করে দাঁড় করিয়ে রাখা, পুরুষাঙ্গের সঙ্গে ডাম্বেল বেঁধে ঝুলিয়ে দেওয়া, কম্পাস দিয়ে শরীরে ফুটো করে মারধর করা হত দিনের পর দিন।

এতেই ক্ষান্ত হয়নি অভিযুক্তরা। ক্ষতের জায়গায় এমন লোশন লাগিয়ে দেওয়া হত, যাতে যন্ত্রণা আরও বাড়ে। যদি কেউ আর্তনাদ করতেন তাহলেই মুখে ঢেলে দেওয়া হত ওই লোশন।

অভিযোগ, সব কিছুর ভিডিও করে রাখত অভিযুক্তরা। কেউ প্রতিবাদ করলেই ভিডিও দেখিয়ে পড়ুয়াদের ব্ল্যাকমেল করা হত। বলা হত ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেওয়া হবে। তিন মাস সহ্য করার পর প্রথম বর্ষের তিন পড়ুয়া পুলিশে অভিযোগ জানায়।

মূলত জুনিয়রদের থেকে মদ খাওয়ার জন্য টাকা তুলত অভিযুক্তরা। কেউ সেই টাকা দিতে অস্বীকার করলেই অত্যাচার চালানো হত। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অ্যান্টি-র‌্যাগিং আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। 


```