
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 9 December 2024 20:27
দ্য ওয়াল ব্য়ুরো: ফৌজদারি মামলায় অনেক সময় বিচার শুরু হতে দেরি হয়। আইনজীবীদের অনেকের মতে, কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা আবার কিছু ক্ষেত্রে নিম্ন আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে দাখিল হওয়া আবেদনের ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে স্থগিতাদেশ জারি করে। ফলে বিচার শুরু হতে দেরি হয়ে যায়।
এবার এ বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করল সুপ্রিমকোর্ট। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ ছয় রাজ্যের সরকার এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের হাইকোর্টগুলির কাছে এ ব্যাপারে তাদের মতামত জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ। বাংলা ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে মহারাষ্ট্র, পঞ্জাব, ছত্তীসগড়, রাজস্থান এবং ঝাড়খণ্ড।
সংশ্লিষ্ট রাজ্য এবং হাইকোর্টগুলির কাছে সুপ্রিম কোর্ট জানতে চেয়েছে মামলায় স্থগিতাদেশ কি বিচারের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে? আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে শীর্ষ আদালতের বেঞ্চে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য এবং হাইকোর্টগুলিকে।
আইনজীবীদের একাংশ শীর্ষ আদালতের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, হাইকোর্টে বিভিন্ন ধরনের ফৌজদারি মামলা আসে। অনেক ক্ষেত্রে নিম্ন আদালতের নির্দেশের উপর শীর্ষ আদালত স্থগিতাদেশ দেওয়ায় এবং মামলাটি দীর্ঘদিন শুনানি না হওয়ায় তদন্ত প্রক্রিয়া থমকে যায়। অন্যদিকে সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট রাজ্য প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয় তদন্তকারী সংস্থাকে। এছাড়া সরাসরি সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে বিচার শুরু করা যায় না।
আইনজীবীদের একাংশের মতে, এহেন জটিলতার কারণে বহু ফৌজদারি মামলা বছরের পর বছর নিষ্পত্তি না হয়ে রয়ে যাচ্ছে। এতে বিচার পেতেও দেরি হচ্ছে। শীর্ষ আদালত এ বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করায় আগামী দিনে এই দীর্ঘসূত্রিতা দূর হবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। এখন দেখার, এবিষয়ে রাজ্যগুলি এবং সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টগুলি শীর্ষ আদালতে কী মতামত জানায়।