.jpeg)
ভিড়ভাট্টা থেকে এই রোগ ছড়াতে পারে
শেষ আপডেট: 22 November 2024 10:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবারেও দিল্লির বায়ুদূষণের পরিমাণ ছিল 'খুব খারাপ' মাত্রায়। সকাল ৭টার সময় বায়ুদূষণের সূচক ছিল ৩৭৩। চলতি শীতকালের গোড়াতেই সমগ্র উত্তর ভারত ব্যাপক দূষণে জেরবার। খারাপ অবস্থা না হলেও কলকাতাতেও থাবা বসিয়েছে ধুলো-ধোঁয়ার দূষণ। শুক্রবার সকালে মহানগরীর দূষণের সূচক ছিল ১৮৬। যাকে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের মাপকোঠায় মাঝারি মানের বলা হয়ে থাকে।
প্রায় ১০ দিন ধরে প্রবল দূষণের সঙ্গে লড়াই করা দিল্লিসহ সংলগ্ন উত্তরাঞ্চলে বিভিন্ন রোগব্যাধি ও উপসর্গ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বর্তমানে দিল্লিবাসী সবথেকে বেশি যে রোগে ভুগছেন তা হলে ওয়াকিং নিউমোনিয়া। যা এক ধরনের ছোঁয়াচে রোগ। বেশ কিছু আক্রান্ত মানুষ শহরের বিভিন্ন ডাক্তারখানা ও হাসপাতালে এই রোগের উপসর্গ নিয়ে হাজির হচ্ছেন।
ওয়াকিং নিউমোনিয়া হল সাধারণ ব্যাকটেরিয়াম যাকে মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া বলে। এই জাতীয় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে খুব অল্পই রোগজ্বালা হয়। তবে ব্যতিক্রমী ঘটনায় এটা মারণ হতে পারে। ফ্লু-এর মতো উপসর্গ দেখা দেয় এই নিউমোনিয়ায়। জ্বর, গলা শুকিয়ে আসা-ব্যথা, কাশি ইত্যাদি। ওয়াকিং নিউমোনিয়া হলে শিশু ও বৃদ্ধদের শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তিন থেকে পাঁচদিন পর্যন্ত শ্বাসকষ্ট চলতে পারে। সাধারণত ভিড়ভাট্টা থেকে এই রোগ ছড়াতে পারে যেমন স্কুল-কলেজ প্রভৃতি।
শুধু দিল্লি নয়, দেশের অনেক শহরাঞ্চলই শীতের ভারী বাতাস চলাচলের দরুণ দূষণের প্রকোপে পড়েছে। দেশের মধ্যে শুক্রবারের হিসাবে দিল্লি সব থেকে দূষিত শহর হলেও পিছিয়ে নেই লখনউ এবং পাটনা। দ্বিতীয় স্থানে থেকে লখনউয়ের দূষণ সূচক ৩৬৭ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাটনা ২৪৯। দুটি শহরেই খুব খারাপ মাত্রায় রয়েছে দূষণ সূচক।
দেশের খুব ভালো অবস্থায় রয়েছে মিজোরামের আইজল ও কর্নাটকের বাগলকোট শহর। সকাল ৭টা পর্যন্ত আইজলে দূষণের মাত্রা ২৭ এবং বাগলকোটে ৪৩। যা ভালো-র মধ্যে পড়ে। একনজরে দেখা নেওয়া যাক কোন শহরে দূষণের সূচক কত? আমেদাবাদ (২০৮, খারাপ), বেঙ্গালুরু (১১৮, মাঝারি), ভোপাল (২৪৮, খারাপ), ভুবনেশ্বর (১৭১, মাঝারি), চণ্ডীগড় (১৯৮, মাঝারি), চেন্নাই (১২৬, মাঝারি), গুয়াহাটি (৫০, ভালো), হায়দরাবাদ (১০৮, মাঝারি), জয়পুর (২৪৪, খারাপ), মুম্বই (১২৪, মাঝারি), রায়পুর (১২৯, মাঝারি) ও তিরুবনন্তপুরম (৫৭, সন্তোষজনক)।