
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 10 April 2024 15:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্টেও সাত তাড়াতাড়ি স্বস্তি মিলল না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জি বুধবার পাশ কাটিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। নিয়মমাফিক আদালতের কার্যাবলির তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়েছে কেজরিওয়ালের আর্জি। ফলে আগামী সোমবার আদালত খুললে সেটি উঠবে এবং সেদিন সিদ্ধান্ত হবে শুনানির দিনক্ষণ নিয়ে।
সূত্রে জানা গিয়েছে, কেজরিওয়ালের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠন করছে না সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের কার্যাবলি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ইদের ছুটি, শুক্রবার স্থানীয় সরকারি ছুটি। তারপর শনি ও রবিবার পড়ে যাওয়ায় আদালত ফের খুলবে সোমবার। ওদিকে, দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের দেওয়া মুখ্যমন্ত্রীর জেল হেফাজতের মেয়াদও শেষ হচ্ছে ১৫ এপ্রিল, সোমবার।
কেজরিওয়ালের কৌসুঁলি অভিষেক মনু সিংভি এদিন সকালে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের কাছে দ্রুত শুনানির আবেদন করেন। তার জবাবে প্রধান বিচারপতি এদিনই শুনানির সময় জানাতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমরা দেখছি।
কেজরিওয়াল দিল্লি হাইকোর্টে যাওয়ার আগে সুপ্রিম কোর্টে প্রথমে মামলা দায়ের করেছিলেন। পরে সেই মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কারণ, শীর্ষ আদালত তাঁর মামলা দ্রুত শুনতে রাজি হয়নি। ফলে অপেক্ষায় না থেকে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার হাইকোর্ট বলেছে, আইন মেনেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তাদের হাতে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ আছে।
হাইকোর্টের রায়ে ইডির হাতই শক্ত হয়েছে মনে করছে ওয়াকিবহালমহল। এদিন শীর্ষ আদালতও কেজরিওয়ালকে বিমুখ করায় আম আদমি পার্টি বড় ধরনের সমস্যায় পড়বে সন্দেহ নেই। মঙ্গলবার হাই কোর্টের রায় জানার পরই আপের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে দল ও সরকার পরিচালনা নিয়ে। দলের আগের অবস্থান অনুযায়ী, কেজরিওয়ালই মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন।
কেজরিওয়াল পত্নী সুনীতা আপাতত দল ও কেজরিওয়ালের মধ্যে সেতুর কাজ করছেন। প্রতিদিন তিনি পাঁচ মিনিট করে স্বামীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন। দু’জনের কী কথা হচ্ছে তা গোপন থাকছে না। জেল কর্তৃপক্ষ কথোপকথন রেকর্ড করছে। এভাবে কতদিন জেল থেকে দল ও সরকার চালানো সম্ভব তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে দলে।